ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালে মাকে রেখে কেন্দ্রে ছুটেছিল মেয়ে, ঢুকতে না পেরে অঝোরে কান্না

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 485

রাজধানীর সরকারি মিরপুর বাংলা কলেজ কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন, ২০২৫) এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে এক হৃদয়বিবিদারক ঘটনা ঘটেছে। বাবা নেই, তার ওপর পরীক্ষার দিন সকালে হঠাৎ মা স্ট্রোক করেন। উপায় না পেয়ে মাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায় মেয়েটি। হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে দেরি হওয়ায় তাকে আর হলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এতে মেয়েটি অঝোরে কাঁদতে থাকে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মায়ের অসুস্থতা, পরীক্ষায় বাধা

জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার্থী এই মেয়েটির বাবা নেই। পরিবারের দায়িত্বশীল কেউ না থাকায়, অসুস্থ মাকে একাই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল তাকে। সেখান থেকে কোনোমতে নিজেকে সামলে সে ছুটে আসে মিরপুর বাংলা কলেজ কেন্দ্রে। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রের দায়িত্বরতরা তাকে হলে প্রবেশের সুযোগ দেননি।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মধ্যে সানাউল হক সানি নামে একজন ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “একজন মানুষ বোর্ড পরীক্ষার দিনে নিশ্চয়ই রঙঢঙ করে সময় নষ্ট করে না। অসুস্থ মাকে হাসপাতালের বেডে রেখে পরীক্ষার হলে ছুটে আসা— কিন্তু বস্তাপচা সিস্টেম মেয়েটির একটা বছর নষ্ট করে দিল।”

সানি আরও বলেন, মেয়েটিকে অঝোরে কাঁদতে দেখেও কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কেমন লেগেছে, তা তিনি জানেন না। তবে ভিডিওটা দেখে তিনি কিছুটা হলেও মেয়েটির অনুভূতি বুঝতে পারছিলেন।

এই ঘটনাটি প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির কড়াকড়ি এবং মানবিকতার প্রশ্ন তুলে ধরেছে। অনেকেই মনে করছেন, এমন জরুরি পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ আরও সহানুভূতিশীল হতে পারতেন।

হাসপাতালে মাকে রেখে কেন্দ্রে ছুটেছিল মেয়ে, ঢুকতে না পেরে অঝোরে কান্না

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

রাজধানীর সরকারি মিরপুর বাংলা কলেজ কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন, ২০২৫) এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে এক হৃদয়বিবিদারক ঘটনা ঘটেছে। বাবা নেই, তার ওপর পরীক্ষার দিন সকালে হঠাৎ মা স্ট্রোক করেন। উপায় না পেয়ে মাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায় মেয়েটি। হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে দেরি হওয়ায় তাকে আর হলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এতে মেয়েটি অঝোরে কাঁদতে থাকে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মায়ের অসুস্থতা, পরীক্ষায় বাধা

জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার্থী এই মেয়েটির বাবা নেই। পরিবারের দায়িত্বশীল কেউ না থাকায়, অসুস্থ মাকে একাই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল তাকে। সেখান থেকে কোনোমতে নিজেকে সামলে সে ছুটে আসে মিরপুর বাংলা কলেজ কেন্দ্রে। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় কেন্দ্রের দায়িত্বরতরা তাকে হলে প্রবেশের সুযোগ দেননি।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মধ্যে সানাউল হক সানি নামে একজন ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “একজন মানুষ বোর্ড পরীক্ষার দিনে নিশ্চয়ই রঙঢঙ করে সময় নষ্ট করে না। অসুস্থ মাকে হাসপাতালের বেডে রেখে পরীক্ষার হলে ছুটে আসা— কিন্তু বস্তাপচা সিস্টেম মেয়েটির একটা বছর নষ্ট করে দিল।”

সানি আরও বলেন, মেয়েটিকে অঝোরে কাঁদতে দেখেও কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কেমন লেগেছে, তা তিনি জানেন না। তবে ভিডিওটা দেখে তিনি কিছুটা হলেও মেয়েটির অনুভূতি বুঝতে পারছিলেন।

এই ঘটনাটি প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির কড়াকড়ি এবং মানবিকতার প্রশ্ন তুলে ধরেছে। অনেকেই মনে করছেন, এমন জরুরি পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ আরও সহানুভূতিশীল হতে পারতেন।