ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন গোয়েন্দা বিমানকে বহু আগেই ‘খেয়ে’ দিতে যাচ্ছিল তেহরান

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 480

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোয়েন্দা বিমানকে বহু আগেই হ্যাক করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান—সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ইরানের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘সা ইরান’ দাবি করেছে, তারা সফলভাবে অন্তত তিনটি শত্রু গোয়েন্দা বিমান হ্যাক করেছে। যদিও বিমানগুলোর দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এগুলো যুক্তরাষ্ট্র কিংবা তার মিত্রদেরই ছিল।

ইরানের নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল আমির রাস্তেগারি বলেছেন, “আমরা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছি, যেখানে শত্রুর যে কোনো বৈদ্যুতিক সংকেত আমরা কেবল ধরতে পারি না, বরং তা নিয়ন্ত্রণেও নিতে পারি।”

তিনি আরও জানান, আধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তির সাহায্যে ইরান শত্রু বিমানের পথ নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করতে, এমনকি প্রয়োজনে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণও নিতে সক্ষম।

২০১১ সালের ড্রোন হ্যাকের ঘটনা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালেও ইরান একটি মার্কিন RQ-170 গোয়েন্দা ড্রোন হ্যাক করে নিরাপদে ভূপাতিত করার দাবি করেছিল। সেই সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ইরানের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতার প্রতি বিশেষভাবে নজর দেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে ইরান শুধু ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা পরমাণু প্রযুক্তিতেই নয়, সাইবার ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধেও এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নীরবতা ও ভবিষ্যতের সংঘাত

তবে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের এই দাবিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এমন সক্ষমতা দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যতের যেকোনো সংঘাতকে আরও জটিল এবং অপ্রত্যাশিত করে তুলতে পারে।

মার্কিন গোয়েন্দা বিমানকে বহু আগেই ‘খেয়ে’ দিতে যাচ্ছিল তেহরান

আপডেট সময় : ১১:১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গোয়েন্দা বিমানকে বহু আগেই হ্যাক করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে ইরান—সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ইরানের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘সা ইরান’ দাবি করেছে, তারা সফলভাবে অন্তত তিনটি শত্রু গোয়েন্দা বিমান হ্যাক করেছে। যদিও বিমানগুলোর দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এগুলো যুক্তরাষ্ট্র কিংবা তার মিত্রদেরই ছিল।

ইরানের নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল আমির রাস্তেগারি বলেছেন, “আমরা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছি, যেখানে শত্রুর যে কোনো বৈদ্যুতিক সংকেত আমরা কেবল ধরতে পারি না, বরং তা নিয়ন্ত্রণেও নিতে পারি।”

তিনি আরও জানান, আধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তির সাহায্যে ইরান শত্রু বিমানের পথ নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করতে, এমনকি প্রয়োজনে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণও নিতে সক্ষম।

২০১১ সালের ড্রোন হ্যাকের ঘটনা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতা

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালেও ইরান একটি মার্কিন RQ-170 গোয়েন্দা ড্রোন হ্যাক করে নিরাপদে ভূপাতিত করার দাবি করেছিল। সেই সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ইরানের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সক্ষমতার প্রতি বিশেষভাবে নজর দেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে ইরান শুধু ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা পরমাণু প্রযুক্তিতেই নয়, সাইবার ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধেও এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নীরবতা ও ভবিষ্যতের সংঘাত

তবে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানের এই দাবিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এমন সক্ষমতা দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যতের যেকোনো সংঘাতকে আরও জটিল এবং অপ্রত্যাশিত করে তুলতে পারে।