ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারা দেশে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: ৩ লক্ষ্যে চূড়ান্ত অ্যাকশন শুরু

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1351

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযানে নামছে যৌথবাহিনী। মূলত তিনটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক বিশেষ সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই ঘোষণা দেন।

যৌথবাহিনীর ৩টি মূল লক্ষ্য:

নির্বাচন কমিশনার জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারির মাধ্যমেই দেশব্যাপী এই অপারেশন শুরু হবে। অভিযানের প্রধান তিনটি লক্ষ্য হলো—

১. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার: নির্বাচন ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ বন্ধ এবং সেগুলো উদ্ধার করা।

২. সন্ত্রাসী গ্রেফতার: চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

৩. আচরণবিধি রক্ষা: নির্বাচনের আচরণবিধির বড় কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তা কঠোরভাবে দমন করবে যৌথবাহিনী।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্তে সতর্কতা:

ইসি সানাউল্লাহ রোহিঙ্গাদের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেন যেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পুরোপুরি ‘সিল’ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাগরপথ ও স্থল সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেন, যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী নির্বাচনকালে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে।

প্রস্তুতি সম্পন্ন:

ইতিমধ্যেই সব বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে এবং সব হেডকোয়ার্টারকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে যৌথবাহিনীর পাশাপাশি রুটিন কমিটিগুলোও মাঠে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।

সারা দেশে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: ৩ লক্ষ্যে চূড়ান্ত অ্যাকশন শুরু

আপডেট সময় : ০৮:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযানে নামছে যৌথবাহিনী। মূলত তিনটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে। আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক বিশেষ সভায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই ঘোষণা দেন।

যৌথবাহিনীর ৩টি মূল লক্ষ্য:

নির্বাচন কমিশনার জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারির মাধ্যমেই দেশব্যাপী এই অপারেশন শুরু হবে। অভিযানের প্রধান তিনটি লক্ষ্য হলো—

১. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার: নির্বাচন ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ বন্ধ এবং সেগুলো উদ্ধার করা।

২. সন্ত্রাসী গ্রেফতার: চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।

৩. আচরণবিধি রক্ষা: নির্বাচনের আচরণবিধির বড় কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তা কঠোরভাবে দমন করবে যৌথবাহিনী।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্তে সতর্কতা:

ইসি সানাউল্লাহ রোহিঙ্গাদের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেন যেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পুরোপুরি ‘সিল’ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাগরপথ ও স্থল সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেন, যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী নির্বাচনকালে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে।

প্রস্তুতি সম্পন্ন:

ইতিমধ্যেই সব বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে এবং সব হেডকোয়ার্টারকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে যৌথবাহিনীর পাশাপাশি রুটিন কমিটিগুলোও মাঠে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।