ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদক ব্যবসায়ীদের আস্থাভাজন ওসি ইফতেখার

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 399

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী ইফতেখার হাসানের বিরুদ্ধে মাদক মামলা ধামাচাপা দিয়ে ছিনতাইয়ের মামলা বানানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা মাদকসহ আসামি ধরে দিলেও তিনি তা গায়েব করে ফেলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ওসির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ

সম্প্রতি দেশ টিভির এক অনুসন্ধানে জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানার ওসি আলী ইফতেখার হাসানের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার হেরোইন আত্মসাৎ করার অভিযোগ আছে। ৭ মে জেনেভা ক্যাম্পের জনতা প্রায় ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ সাদ্দাম ওরফে ম্যানেজার সাদ্দামকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু পুলিশ তাকে মাদক মামলায় চালান না করে, ২০১৩ সালের একটি পুরোনো মাদক মামলার ওয়ারেন্টে তাকে চালান করে। এতে জনমনে প্রশ্ন ওঠে, উদ্ধার হওয়া হেরোইন কোথায় গেল?

দেশ টিভির হাতে আসা থানার নথিপত্র অনুযায়ী, ২৪/৪৪৩ নম্বরের একটি মামলায় ১০০ গ্রাম হেরোইন জব্দ দেখানো হয়, যার বাজারমূল্য ছিল ১০ লাখ টাকা। এই মামলার এজাহার এসআই রাজুকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও, পরে অজ্ঞাত কারণে সাদ্দামের নাম এজাহার থেকে কেটে ফেলা হয়। ২৪/৪৪৩ নম্বর মামলাটি শেষ পর্যন্ত ছিনতাই মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়।

তদন্ত চলছে, ওসির পক্ষে মানববন্ধন

এই ঘটনাটি কি ভুল ছিল, নাকি ওসির নির্দেশে হেরোইন গায়েব করা হয়েছে—এই বিষয়ে জানতে চাইলে ডিউটিরত অফিসার ও মুন্সির সঙ্গে কথা বলতে সাংবাদিকদের বাধা দেন ওসি ইফতেখার।

তেজগাঁও জোনের ডিসি ইবনে মিজান জানান, এই অভিযোগের বিষয়ে একটি তদন্ত চলছে। তবে অভিযোগটি সামনে আসার পর থেকেই মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা ওসিকে বহাল রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তার পক্ষে করা মানববন্ধনে একাধিক মাদক মামলার আসামি ইকবাল ওরফে কশাই ইকবাল, রাকিব, ইফরান, রুবেলসহ আরও অনেক মাদক ব্যবসায়ী অংশ নেন।

মাদক ব্যবসায়ীদের আস্থাভাজন ওসি ইফতেখার

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী ইফতেখার হাসানের বিরুদ্ধে মাদক মামলা ধামাচাপা দিয়ে ছিনতাইয়ের মামলা বানানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা মাদকসহ আসামি ধরে দিলেও তিনি তা গায়েব করে ফেলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ওসির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ

সম্প্রতি দেশ টিভির এক অনুসন্ধানে জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানার ওসি আলী ইফতেখার হাসানের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার হেরোইন আত্মসাৎ করার অভিযোগ আছে। ৭ মে জেনেভা ক্যাম্পের জনতা প্রায় ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ সাদ্দাম ওরফে ম্যানেজার সাদ্দামকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু পুলিশ তাকে মাদক মামলায় চালান না করে, ২০১৩ সালের একটি পুরোনো মাদক মামলার ওয়ারেন্টে তাকে চালান করে। এতে জনমনে প্রশ্ন ওঠে, উদ্ধার হওয়া হেরোইন কোথায় গেল?

দেশ টিভির হাতে আসা থানার নথিপত্র অনুযায়ী, ২৪/৪৪৩ নম্বরের একটি মামলায় ১০০ গ্রাম হেরোইন জব্দ দেখানো হয়, যার বাজারমূল্য ছিল ১০ লাখ টাকা। এই মামলার এজাহার এসআই রাজুকে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও, পরে অজ্ঞাত কারণে সাদ্দামের নাম এজাহার থেকে কেটে ফেলা হয়। ২৪/৪৪৩ নম্বর মামলাটি শেষ পর্যন্ত ছিনতাই মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়।

তদন্ত চলছে, ওসির পক্ষে মানববন্ধন

এই ঘটনাটি কি ভুল ছিল, নাকি ওসির নির্দেশে হেরোইন গায়েব করা হয়েছে—এই বিষয়ে জানতে চাইলে ডিউটিরত অফিসার ও মুন্সির সঙ্গে কথা বলতে সাংবাদিকদের বাধা দেন ওসি ইফতেখার।

তেজগাঁও জোনের ডিসি ইবনে মিজান জানান, এই অভিযোগের বিষয়ে একটি তদন্ত চলছে। তবে অভিযোগটি সামনে আসার পর থেকেই মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা ওসিকে বহাল রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তার পক্ষে করা মানববন্ধনে একাধিক মাদক মামলার আসামি ইকবাল ওরফে কশাই ইকবাল, রাকিব, ইফরান, রুবেলসহ আরও অনেক মাদক ব্যবসায়ী অংশ নেন।