ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১.৫০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:২৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 310

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বর্তমানে ৩১.৫০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মানদণ্ড অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ তার চেয়ে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার কম। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রকৃত পরিমাণ হলো ২৬ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক আজ রোববার এই দ্বৈত হিসাবের তথ্য প্রকাশ করেছে। সাধারণভাবে একটি দেশের কাছে ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচ মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকতে হয়। আইএমএফের মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন সেই শেষ প্রান্তে অবস্থান করছে।

আইএমএফের মানদণ্ড ও রিজার্ভের পার্থক্য

বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএমএফের হিসাব পদ্ধতির পার্থক্যের কারণে রিজার্ভের পরিমাণে এই ফারাক দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। এই হিসাবে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ তহবিল ও দায় অন্তর্ভুক্ত থাকে।

আইএমএফের (BPM6) হিসাব: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ‘ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম ৬)’ পদ্ধতি অনুযায়ী, রিজার্ভের হিসাব করা হয়। এই পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব দায় ও কিছু তহবিল বাদ দেওয়া হয়, ফলে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৬ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

নিরাপত্তা ও আমদানি সক্ষমতা

রিজার্ভের নিম্নমুখী এই প্রবণতা দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

ন্যূনতম মানদণ্ড: অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থাকা দরকার।

বর্তমান অবস্থা: মুখপাত্রের তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফের মানদণ্ডে রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা সেই শেষ প্রান্তে রয়েছে, যা দেশের আমদানি সক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১.৫০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে

আপডেট সময় : ১১:২৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বর্তমানে ৩১.৫০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মানদণ্ড অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ তার চেয়ে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার কম। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রকৃত পরিমাণ হলো ২৬ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক আজ রোববার এই দ্বৈত হিসাবের তথ্য প্রকাশ করেছে। সাধারণভাবে একটি দেশের কাছে ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচ মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকতে হয়। আইএমএফের মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন সেই শেষ প্রান্তে অবস্থান করছে।

আইএমএফের মানদণ্ড ও রিজার্ভের পার্থক্য

বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএমএফের হিসাব পদ্ধতির পার্থক্যের কারণে রিজার্ভের পরিমাণে এই ফারাক দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। এই হিসাবে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ তহবিল ও দায় অন্তর্ভুক্ত থাকে।

আইএমএফের (BPM6) হিসাব: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ‘ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম ৬)’ পদ্ধতি অনুযায়ী, রিজার্ভের হিসাব করা হয়। এই পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব দায় ও কিছু তহবিল বাদ দেওয়া হয়, ফলে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৬ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

নিরাপত্তা ও আমদানি সক্ষমতা

রিজার্ভের নিম্নমুখী এই প্রবণতা দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

ন্যূনতম মানদণ্ড: অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থাকা দরকার।

বর্তমান অবস্থা: মুখপাত্রের তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফের মানদণ্ডে রিজার্ভের বর্তমান অবস্থা সেই শেষ প্রান্তে রয়েছে, যা দেশের আমদানি সক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।