ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেধা ও স্বচ্ছতায় পুলিশে চাকরি, ১২০ টাকায় ফরিদপুরে ২৭ পরিবারের স্বপ্নপূরণ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 412

ফরিদপুর জেলায় পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেয়েছেন ২৭ জন প্রার্থী, যাদের কেউই কোনো ঘুষ বা তদবিরের আশ্রয় নেননি। মাত্র ১২০ টাকার আবেদন ফি দিয়েই তাঁরা এই চাকরি পেয়েছেন। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুল জলিল।

এসপির নেতৃত্বে ন্যায্যতা

এসপি আব্দুল জলিল এর নেতৃত্বে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও যোগ্যতাভিত্তিক এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়। বুধবার (১৪ মে) রাতে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন তিনি। এ সময় উত্তীর্ণদের মধ্যে দেখা যায় আবেগঘন ও আনন্দঘন মুহূর্ত।

দিনমজুর পরিবারের সন্তানদের সাফল্য

নিয়োগপ্রাপ্তদের বেশিরভাগই দিনমজুর বা নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তান। তাঁদের কারো পৃষ্ঠপোষকতা বা সুপারিশ ছিল না, ছিল শুধু মেধা ও যোগ্যতা।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে কনস্টেবল নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রার্থীরা আবেদন করেন।

  • ৪ মে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৩৫৩ জন

  • উত্তীর্ণ হন ৯১ জন

  • এরপর ১৪ মে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়

  • রাতেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়

এ তালিকায় ২৭ জনকে নিয়োগ ও আরও ৫ জনকে ওয়েটিং তালিকায় রাখা হয়।

প্রার্থীর অভিমত

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিয়োগপ্রাপ্ত বলেন, “আমার কোনো সুপারিশ ছিল না। ভেবেছিলাম চাকরিটা পাব না। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নিজের নাম সবার ওপরে দেখে বিশ্বাস করতে পারিনি। এত স্বচ্ছ ও ন্যায্য প্রক্রিয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।”

জেলা পুলিশের বক্তব্য

ফরিদপুর জেলা পুলিশ জানায়, নিয়োগ প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছতা ও নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি ধাপ—শারীরিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারাই কনস্টেবল পদে চাকরি পেয়েছেন।

মেধা ও স্বচ্ছতায় পুলিশে চাকরি, ১২০ টাকায় ফরিদপুরে ২৭ পরিবারের স্বপ্নপূরণ

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

ফরিদপুর জেলায় পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেয়েছেন ২৭ জন প্রার্থী, যাদের কেউই কোনো ঘুষ বা তদবিরের আশ্রয় নেননি। মাত্র ১২০ টাকার আবেদন ফি দিয়েই তাঁরা এই চাকরি পেয়েছেন। পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুল জলিল।

এসপির নেতৃত্বে ন্যায্যতা

এসপি আব্দুল জলিল এর নেতৃত্বে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও যোগ্যতাভিত্তিক এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়। বুধবার (১৪ মে) রাতে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন তিনি। এ সময় উত্তীর্ণদের মধ্যে দেখা যায় আবেগঘন ও আনন্দঘন মুহূর্ত।

দিনমজুর পরিবারের সন্তানদের সাফল্য

নিয়োগপ্রাপ্তদের বেশিরভাগই দিনমজুর বা নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তান। তাঁদের কারো পৃষ্ঠপোষকতা বা সুপারিশ ছিল না, ছিল শুধু মেধা ও যোগ্যতা।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে কনস্টেবল নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রার্থীরা আবেদন করেন।

  • ৪ মে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৩৫৩ জন

  • উত্তীর্ণ হন ৯১ জন

  • এরপর ১৪ মে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়

  • রাতেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়

এ তালিকায় ২৭ জনকে নিয়োগ ও আরও ৫ জনকে ওয়েটিং তালিকায় রাখা হয়।

প্রার্থীর অভিমত

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিয়োগপ্রাপ্ত বলেন, “আমার কোনো সুপারিশ ছিল না। ভেবেছিলাম চাকরিটা পাব না। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নিজের নাম সবার ওপরে দেখে বিশ্বাস করতে পারিনি। এত স্বচ্ছ ও ন্যায্য প্রক্রিয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।”

জেলা পুলিশের বক্তব্য

ফরিদপুর জেলা পুলিশ জানায়, নিয়োগ প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছতা ও নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। তিনটি ধাপ—শারীরিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারাই কনস্টেবল পদে চাকরি পেয়েছেন।