ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যমুনার সামনে আট ঘণ্টার বিক্ষোভে উত্তাল রাজধানী— যোগ দিয়েছে জামায়াত

বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা :
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • / 208

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিক্ষোভ। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। রাতভর চলা এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী অংশ নিয়েছেন।

এনসিপির নেতৃত্বে সংগঠিত স্লোগান ও অবস্থান

শুক্রবার সকালে যমুনার সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কয়েক শত নেতাকর্মী স্লোগান দিতে দিতে জমায়েত হন। ‘আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করো’—এই দাবিতে তাঁরা একটানা অবস্থান ও স্লোগান চালিয়ে যান। সকাল ৮টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে আরও কয়েক শত নেতাকর্মী সেখানে যোগ দেন।

সড়কে বসেই প্রতিবাদ, যুক্ত হচ্ছেন বিভিন্ন দলের নেতারা

সকাল ৯টা পর্যন্ত যমুনার গেট ও আশপাশের সড়কে শত শত বিক্ষোভকারী গোল হয়ে বসে ছিলেন। তাঁদের হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান—একটিই দাবি: আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। এনসিপিসহ আন্দোলনে সংহতি জানানো বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীদের সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

নাহিদ ইসলামের অভিযোগ: ৯ মাসেও হয়নি কাজ, তাই রাস্তায়

বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মাইকে স্লোগান ধরেন এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম কাজই হওয়া উচিত ছিল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা। ৯ মাসেও সেই কাজ না হওয়ায় আমাদের রাজপথে নামতে হয়েছে।”

নানা দল ও গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

এই বিক্ষোভে শুধু এনসিপিই নয়, যোগ দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম, এবি পার্টি, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ আরও অনেক সংগঠনের নেতারা। রাত ১টার পর থেকে ধাপে ধাপে তাঁদের আগমন ঘটে যমুনার সামনে। রাত দেড়টার দিকে হেফাজতের নেতারা, এবং রাত ২টার পর শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারাও অংশ নেন।

স্লোগানে মুখর যমুনা চত্বর

বিক্ষোভকারীরা ‘ব্যান করো ব্যান করো, আওয়ামী লীগকে ব্যান করো’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’, ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, আওয়ামী লীগ নো মোর’—এমন স্লোগানে যমুনার চারপাশ মুখর করে তোলেন।

এনসিপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, দাবি মানা না হলে তাঁরা অনির্দিষ্টকাল অবস্থান চালিয়ে যাবেন।

যমুনার সামনে আট ঘণ্টার বিক্ষোভে উত্তাল রাজধানী— যোগ দিয়েছে জামায়াত

আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিক্ষোভ। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। রাতভর চলা এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী অংশ নিয়েছেন।

এনসিপির নেতৃত্বে সংগঠিত স্লোগান ও অবস্থান

শুক্রবার সকালে যমুনার সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কয়েক শত নেতাকর্মী স্লোগান দিতে দিতে জমায়েত হন। ‘আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করো’—এই দাবিতে তাঁরা একটানা অবস্থান ও স্লোগান চালিয়ে যান। সকাল ৮টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে আরও কয়েক শত নেতাকর্মী সেখানে যোগ দেন।

সড়কে বসেই প্রতিবাদ, যুক্ত হচ্ছেন বিভিন্ন দলের নেতারা

সকাল ৯টা পর্যন্ত যমুনার গেট ও আশপাশের সড়কে শত শত বিক্ষোভকারী গোল হয়ে বসে ছিলেন। তাঁদের হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান—একটিই দাবি: আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। এনসিপিসহ আন্দোলনে সংহতি জানানো বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীদের সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

নাহিদ ইসলামের অভিযোগ: ৯ মাসেও হয়নি কাজ, তাই রাস্তায়

বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মাইকে স্লোগান ধরেন এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম কাজই হওয়া উচিত ছিল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা। ৯ মাসেও সেই কাজ না হওয়ায় আমাদের রাজপথে নামতে হয়েছে।”

নানা দল ও গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

এই বিক্ষোভে শুধু এনসিপিই নয়, যোগ দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম, এবি পার্টি, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ আরও অনেক সংগঠনের নেতারা। রাত ১টার পর থেকে ধাপে ধাপে তাঁদের আগমন ঘটে যমুনার সামনে। রাত দেড়টার দিকে হেফাজতের নেতারা, এবং রাত ২টার পর শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারাও অংশ নেন।

স্লোগানে মুখর যমুনা চত্বর

বিক্ষোভকারীরা ‘ব্যান করো ব্যান করো, আওয়ামী লীগকে ব্যান করো’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’, ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, আওয়ামী লীগ নো মোর’—এমন স্লোগানে যমুনার চারপাশ মুখর করে তোলেন।

এনসিপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, দাবি মানা না হলে তাঁরা অনির্দিষ্টকাল অবস্থান চালিয়ে যাবেন।