ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুক্তি করো, নয়তো ইরান মানচিত্র থেকে মুছে যাবে: ট্রাম্প

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 31

ইরান-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের বরাত দিয়ে তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভ্যান্সের এই প্রতিনিধি দলে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারও থাকছেন বলে জানা গেছে।

সফর নিয়ে বিভ্রান্তি ও নিরাপত্তা উদ্বেগ:

এর আগে রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, নিরাপত্তার কারণে ভ্যান্স এই সফরে যাচ্ছেন না। তিনি এবিসি নিউজকে বলেন, “সিক্রেট সার্ভিস অল্প সময়ের নোটিশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।” তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইঙ্গিত দেয় যে, জেডি ভ্যান্সই এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ট্রাম্পের ‘ভয়ংকর’ হুঁশিয়ারি:

ইরানকে এই আলোচনার টেবিলে আনতে চরম কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি প্রস্তাবিত চুক্তিতে সই না করে তবে “পুরো দেশটি উড়িয়ে দেওয়া হবে।” ট্রাম্প এই প্রস্তাবকে ইরানের জন্য “শেষ সুযোগ” এবং একটি “অত্যন্ত সহজ চুক্তি” হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইরানের অনড় অবস্থান:

অন্যদিকে, আলোচনার প্রস্তাব আসলেও ইরান তার অবস্থানে অনড়। দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না তেহরান। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ট্রাম্প ঘোষিত নৌ-অবরোধ কার্যকর থাকা অবস্থায় পাকিস্তানে কোনো প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে না।

সব মিলিয়ে জেডি ভ্যান্সের এই সফর এবং ট্রাম্পের আল্টিমেটামকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

চুক্তি করো, নয়তো ইরান মানচিত্র থেকে মুছে যাবে: ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১১:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের বরাত দিয়ে তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভ্যান্সের এই প্রতিনিধি দলে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারও থাকছেন বলে জানা গেছে।

সফর নিয়ে বিভ্রান্তি ও নিরাপত্তা উদ্বেগ:

এর আগে রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, নিরাপত্তার কারণে ভ্যান্স এই সফরে যাচ্ছেন না। তিনি এবিসি নিউজকে বলেন, “সিক্রেট সার্ভিস অল্প সময়ের নোটিশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।” তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইঙ্গিত দেয় যে, জেডি ভ্যান্সই এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ট্রাম্পের ‘ভয়ংকর’ হুঁশিয়ারি:

ইরানকে এই আলোচনার টেবিলে আনতে চরম কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি প্রস্তাবিত চুক্তিতে সই না করে তবে “পুরো দেশটি উড়িয়ে দেওয়া হবে।” ট্রাম্প এই প্রস্তাবকে ইরানের জন্য “শেষ সুযোগ” এবং একটি “অত্যন্ত সহজ চুক্তি” হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইরানের অনড় অবস্থান:

অন্যদিকে, আলোচনার প্রস্তাব আসলেও ইরান তার অবস্থানে অনড়। দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বহাল থাকা অবস্থায় কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না তেহরান। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ট্রাম্প ঘোষিত নৌ-অবরোধ কার্যকর থাকা অবস্থায় পাকিস্তানে কোনো প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে না।

সব মিলিয়ে জেডি ভ্যান্সের এই সফর এবং ট্রাম্পের আল্টিমেটামকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।