ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে যুবকের হাত-পা কাটা মরদেহ উদ্ধার

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 221

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক যুবকের হাত-পা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে উপজেলার যদুনন্দী মৌজার একটি গ্রামীণ সড়ক থেকে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের শিকার যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবকের নাম পান্নু ফকির (৩৯) ওরফে জামু রহমান ফকির। তিনি সালথা উপজেলার কুমারকান্দা গ্রামের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

পাটক্ষেতে হত্যার পর সড়কে লাশ:

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাতে সালথা বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন পান্নু ফকির। পথিমধ্যে ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা অত্যন্ত নৃশংসভাবে তার হাত ও পা কেটে হত্যা নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে আলামত নষ্ট করতে মরদেহটি যদুনন্দী মৌজার একটি নির্জন সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে পথচারীরা সড়কের ওপর রক্তাক্ত মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে তাৎক্ষণিক পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নেপথ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ?

হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, স্থানীয় কোনো জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো শত্রুতা বা কারণ আছে কি না, তা উদঘাটনে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) আল ফাহাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত মরদেহটি উদ্ধার করি। মরদেহের শরীরে গুরুতর ও নৃশংস আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, তাকে কোনো গভীর পাটক্ষেতে নিয়ে হত্যা করার পর লাশটি রাস্তার ওপর এনে ফেলে রাখা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং এর সঙ্গে জড়িত খুনিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ফরিদপুরে যুবকের হাত-পা কাটা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক যুবকের হাত-পা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে উপজেলার যদুনন্দী মৌজার একটি গ্রামীণ সড়ক থেকে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের শিকার যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবকের নাম পান্নু ফকির (৩৯) ওরফে জামু রহমান ফকির। তিনি সালথা উপজেলার কুমারকান্দা গ্রামের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

পাটক্ষেতে হত্যার পর সড়কে লাশ:

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাতে সালথা বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন পান্নু ফকির। পথিমধ্যে ওত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা অত্যন্ত নৃশংসভাবে তার হাত ও পা কেটে হত্যা নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে আলামত নষ্ট করতে মরদেহটি যদুনন্দী মৌজার একটি নির্জন সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে পথচারীরা সড়কের ওপর রক্তাক্ত মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে তাৎক্ষণিক পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নেপথ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ?

হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, স্থানীয় কোনো জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো শত্রুতা বা কারণ আছে কি না, তা উদঘাটনে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) আল ফাহাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “খবর পেয়ে আমরা দ্রুত মরদেহটি উদ্ধার করি। মরদেহের শরীরে গুরুতর ও নৃশংস আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, তাকে কোনো গভীর পাটক্ষেতে নিয়ে হত্যা করার পর লাশটি রাস্তার ওপর এনে ফেলে রাখা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং এর সঙ্গে জড়িত খুনিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।