ফরিদপুরে চাঁদাবাজি! সাবেক ছাত্রদল নেতার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল বিএনপি
- আপডেট সময় : ০১:৩৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
- / 313
দলীয় পরিচয়ের দাপট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা, ভয়ভীতি দেখানো আর চাঁদাবাজির রমরমা কারবার! অবশেষে দলীয় ভাবমূর্তি বাঁচাতে ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কড়া অবস্থান নিল বিএনপি। ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সাবেক এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে সরাসরি বিজ্ঞপ্তির চাবুক চালাল স্থানীয় নেতৃত্ব।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত শেখ মো. জাকারিয়ার সঙ্গে দলের কোনো পর্যায়ের সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। তাঁর অপকর্মের দায়ভার বিএনপি বহন করবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। খবরের বিস্তারিত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:
জামায়াত নেতার ছেলে জাকারিয়ার চাঁদাবাজির ছক
উপজেলা ও পৌর বিএনপির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে জাকারিয়ার আসল পরিচয়। তাতে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত শেখ মো. জাকারিয়া উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের উমরনগর গ্রামের জামায়াত নেতা কাজী মো. মনজুরুল হকের ছেলে।
বর্তমানে বোয়ালমারী উপজেলার বিএনপি বা এর কোনো অঙ্গসংগঠনের পদে না থাকা সত্ত্বেও জাকারিয়া ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের সাবেক পরিচয়ের প্রভাব খাটাচ্ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদাবাজি ও হয়রানি করে আসছিলেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে রাজপথের দল হিসেবে বিএনপির ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছিল।
‘সম্পর্ক রাখলে কড়া অ্যাকশন’, শীর্ষ চার নেতার যৌথ হুঁশিয়ারি
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাষায় বলা হয়েছে, জাকারিয়ার সঙ্গে বর্তমানে বিএনপির কোনো স্তরের নেতাকর্মীর সাংগঠনিক যোগাযোগ নেই। ভবিষ্যতে দলের কোনো নেতাকর্মী যদি তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বজায় রাখেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ ও বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের শেখ মো. জাকারিয়ার সঙ্গে সব ধরনের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এই যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শেখ এবং সাধারণ সম্পাদক ইমরান শেখ।











