ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনের আগুনে পুড়ল রাজনীতি: বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকসহ কারাগারে ১০

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:০০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 97

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উত্তাপের রেশ কাটতে না কাটতেই কুমিল্লার আদালতে নেমে এল আইনি খড়্গ। নির্বাচনের প্রাক্কালে নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চাঞ্চল্যকর মামলায় উচ্চ আদালত কিংবা জামিনের আশা ভেস্তে দিয়ে কারাগারে নীতিনির্ধারক পর্যায়ের বিএনপি নেতা ও পেশাদার সাংবাদিকসহ ১০ জন। বিচারালয়ের এই রায়ের পরই রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা দ্রুত বিচার আইনের মামলায় বিএনপি নেতা ও এক সাংবাদিকসহ মোট ১০ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে, বিচারক শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার তিতাস প্রতিনিধি ও সাংবাদিক মো. জুয়েল রানা। বিষয়টি সাংবাদিক জুয়েল রানার পরিবার নিশ্চিত করেছে।

মামলার নেপথ্যের প্রেক্ষাপট

আদালত ও মামলার নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক দুদিন আগে গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার তিতাস উপজেলার পাঙ্গাশিয়া এলাকায় অবস্থিত একটি অস্থায়ী নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর ও তাতে অগ্নিসংযোগের বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় ধানের শীষের সমর্থক মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে ২০ জনকে আসামি করে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার আসামিরা আদালতে হাজির হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পরিবারের আকুতি ও দাবি

এদিকে সাংবাদিক জুয়েল রানার বাবা জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, এই অনভিপ্রেত ঘটনার সাথে তাঁর ছেলে সাংবাদিক জুয়েল রানা দূরতম কোনোভাবেই জড়িত নন। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিচার বিভাগের কাছে মামলাটির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু পুনর্বিচার বা তদন্ত নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

নির্বাচনের আগুনে পুড়ল রাজনীতি: বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকসহ কারাগারে ১০

আপডেট সময় : ১০:০০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উত্তাপের রেশ কাটতে না কাটতেই কুমিল্লার আদালতে নেমে এল আইনি খড়্গ। নির্বাচনের প্রাক্কালে নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চাঞ্চল্যকর মামলায় উচ্চ আদালত কিংবা জামিনের আশা ভেস্তে দিয়ে কারাগারে নীতিনির্ধারক পর্যায়ের বিএনপি নেতা ও পেশাদার সাংবাদিকসহ ১০ জন। বিচারালয়ের এই রায়ের পরই রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা দ্রুত বিচার আইনের মামলায় বিএনপি নেতা ও এক সাংবাদিকসহ মোট ১০ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) দুপুরে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে, বিচারক শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার তিতাস প্রতিনিধি ও সাংবাদিক মো. জুয়েল রানা। বিষয়টি সাংবাদিক জুয়েল রানার পরিবার নিশ্চিত করেছে।

মামলার নেপথ্যের প্রেক্ষাপট

আদালত ও মামলার নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক দুদিন আগে গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার তিতাস উপজেলার পাঙ্গাশিয়া এলাকায় অবস্থিত একটি অস্থায়ী নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর ও তাতে অগ্নিসংযোগের বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় ধানের শীষের সমর্থক মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে ২০ জনকে আসামি করে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার আসামিরা আদালতে হাজির হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পরিবারের আকুতি ও দাবি

এদিকে সাংবাদিক জুয়েল রানার বাবা জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, এই অনভিপ্রেত ঘটনার সাথে তাঁর ছেলে সাংবাদিক জুয়েল রানা দূরতম কোনোভাবেই জড়িত নন। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিচার বিভাগের কাছে মামলাটির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু পুনর্বিচার বা তদন্ত নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।