ঢাকা ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 973

দিনদুপুরে জমে উঠেছিল কাগদী বাজার। কেনাবেচার ভিড়ের মাঝেই খাতা-কলমে ‘পলাতক’ আসামি নিশ্চিন্তে চলাফেরা করছিলেন। কিন্তু গোপন সূত্রের সুনির্দিষ্ট খবরের ওপর ভিত্তি করে মুহূর্তেই বদলে গেল দৃশ্যপট। সাধারণ পোশাকে ও দ্রুত গতিতে বাজারে আছড়ে পড়ল পুলিশের একটি চৌকস দল। পালানোর সুযোগ পাওয়ার আগেই চারদিক ঘিরে ফেলে পরাস্ত করা হলো দীর্ঘদিন ধরে গা ঢাকা দিয়ে থাকা স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের ওই শীর্ষ নেতাকে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী বাজার এলাকায় এই ঝটিকা গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম হেমায়েত হোসেন (৫৫)। তিনি সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বাতাগ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

গোপন তথ্যে সফল হানা, আত্মগোপন ভেঙে শ্রীঘরে

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সহিংস নাশকতার বেশ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠার পর থেকেই হেমায়েত হোসেন দীর্ঘদিন ধরে লোকচক্ষুর অন্তরালে আত্মগোপনে ছিলেন। রোববার দুপুরে তিনি গোপনে স্থানীয় কাগদী বাজারে অবস্থান করছেন—এমন গোপন তথ্য সালথা থানায় পৌঁছানো মাত্রই ওসির নির্দেশে পুলিশের টিম সেখানে অভিযান চালায়।

তাঁকে হস্তগত করার পর প্রাথমিক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সোজা সালথা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনা ও গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান—

“বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি সুনির্দিষ্ট মামলায় আসামি হেমায়েত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকা থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক সহিংসতা, মারামারি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মামলা বিচারাধীন। রোববার বিকেলে তাঁকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”

ফরিদপুরে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৫:২৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনদুপুরে জমে উঠেছিল কাগদী বাজার। কেনাবেচার ভিড়ের মাঝেই খাতা-কলমে ‘পলাতক’ আসামি নিশ্চিন্তে চলাফেরা করছিলেন। কিন্তু গোপন সূত্রের সুনির্দিষ্ট খবরের ওপর ভিত্তি করে মুহূর্তেই বদলে গেল দৃশ্যপট। সাধারণ পোশাকে ও দ্রুত গতিতে বাজারে আছড়ে পড়ল পুলিশের একটি চৌকস দল। পালানোর সুযোগ পাওয়ার আগেই চারদিক ঘিরে ফেলে পরাস্ত করা হলো দীর্ঘদিন ধরে গা ঢাকা দিয়ে থাকা স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের ওই শীর্ষ নেতাকে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী বাজার এলাকায় এই ঝটিকা গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম হেমায়েত হোসেন (৫৫)। তিনি সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বাতাগ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

গোপন তথ্যে সফল হানা, আত্মগোপন ভেঙে শ্রীঘরে

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সহিংস নাশকতার বেশ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠার পর থেকেই হেমায়েত হোসেন দীর্ঘদিন ধরে লোকচক্ষুর অন্তরালে আত্মগোপনে ছিলেন। রোববার দুপুরে তিনি গোপনে স্থানীয় কাগদী বাজারে অবস্থান করছেন—এমন গোপন তথ্য সালথা থানায় পৌঁছানো মাত্রই ওসির নির্দেশে পুলিশের টিম সেখানে অভিযান চালায়।

তাঁকে হস্তগত করার পর প্রাথমিক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সোজা সালথা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনা ও গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান—

“বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি সুনির্দিষ্ট মামলায় আসামি হেমায়েত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকা থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক সহিংসতা, মারামারি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মামলা বিচারাধীন। রোববার বিকেলে তাঁকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”