ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনাবৃষ্টিতে দিশেহারা কৃষক

শেখ সালমান আহমেদ, ফরিদপুর
  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩
  • / 769

আষাঢ় মাস শেষ হয়ে স্রাবণের দিনগুলো পার হচ্ছে তবুও বৃষ্টির দেখা নেই। উত্তপ্ত আবহাওয়ায় নাজেহাল কৃষক। বৃষ্টির অভাবে ঠিকমতো ফসল আবাদ করা যাচ্ছেনা। মরিচের ভর মৌসুম থাকা সত্বেও মরিচের যথেষ্ট ফলন নেই। মরিচের গাছগুলো ঝরে পড়ছে। বিভিন্ন কীটনাশক কম্পানির ঔষুধ ব্যবহার করেও কৃষক তার কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছেন না। অন্যদিকে পাটের আবাদ ভালো হলেও পানির অভাবে পাট পচানোর কাজটা করতে পারছেন না কৃষকেরা। সরজমিনে ফসলি মাঠে ঘুরে দেখা যায় কেউ কেউ পানি সেচের মাধ্যমে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন গাছগুলো বাঁচাতে। এমন অবস্থা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটা বর্ষা মৌসুম। কৃষকেরা বলছেন অনাবৃষ্টির কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে যা ফসল উৎপাদনের জন্য প্রতিকূল। আরতদার ব্যবসায়ীমহল জানান পর্যাপ্ত ফসল উৎপাদন না হওয়ায় মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে যা সাধারণ মানুষের জন্য ক্রয় করা কষ্টসাধ্য।
এদিকে পাট চাষিরা জানান, ফরিদপুরের সোনালী আঁশ খ্যাত পাটের অবস্থাও ভালো নেই। এবারেও পাটের ফলন ভালো হলেও আমরা পাট জাগ দেবার পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছিনা, সেজন্য মাঠের পাট মাঠেই নষ্ট হচ্ছে। যাদের পুকুর রয়েছে তারা পানি সেচের মাধ্যমে পাট জাগ দেবার চেষ্টা করছেন যা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগন্য। আকাশ দেখে মনে হয় এ যেন শরতের আকাশ। চারিদেকে খা খা রোদ্দুর অসহনীয় তাপমাত্রা এমন পরিস্থিতে ভালো নেই তৃনমূলের খেটে খাওয়া জনগণ।

ট্যাগস :

অনাবৃষ্টিতে দিশেহারা কৃষক

আপডেট সময় : ০১:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩

আষাঢ় মাস শেষ হয়ে স্রাবণের দিনগুলো পার হচ্ছে তবুও বৃষ্টির দেখা নেই। উত্তপ্ত আবহাওয়ায় নাজেহাল কৃষক। বৃষ্টির অভাবে ঠিকমতো ফসল আবাদ করা যাচ্ছেনা। মরিচের ভর মৌসুম থাকা সত্বেও মরিচের যথেষ্ট ফলন নেই। মরিচের গাছগুলো ঝরে পড়ছে। বিভিন্ন কীটনাশক কম্পানির ঔষুধ ব্যবহার করেও কৃষক তার কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছেন না। অন্যদিকে পাটের আবাদ ভালো হলেও পানির অভাবে পাট পচানোর কাজটা করতে পারছেন না কৃষকেরা। সরজমিনে ফসলি মাঠে ঘুরে দেখা যায় কেউ কেউ পানি সেচের মাধ্যমে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন গাছগুলো বাঁচাতে। এমন অবস্থা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটা বর্ষা মৌসুম। কৃষকেরা বলছেন অনাবৃষ্টির কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে যা ফসল উৎপাদনের জন্য প্রতিকূল। আরতদার ব্যবসায়ীমহল জানান পর্যাপ্ত ফসল উৎপাদন না হওয়ায় মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে যা সাধারণ মানুষের জন্য ক্রয় করা কষ্টসাধ্য।
এদিকে পাট চাষিরা জানান, ফরিদপুরের সোনালী আঁশ খ্যাত পাটের অবস্থাও ভালো নেই। এবারেও পাটের ফলন ভালো হলেও আমরা পাট জাগ দেবার পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছিনা, সেজন্য মাঠের পাট মাঠেই নষ্ট হচ্ছে। যাদের পুকুর রয়েছে তারা পানি সেচের মাধ্যমে পাট জাগ দেবার চেষ্টা করছেন যা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগন্য। আকাশ দেখে মনে হয় এ যেন শরতের আকাশ। চারিদেকে খা খা রোদ্দুর অসহনীয় তাপমাত্রা এমন পরিস্থিতে ভালো নেই তৃনমূলের খেটে খাওয়া জনগণ।