ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌন নির্যাতনের পর বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ৯৯৯-এ কল দিয়ে মেয়ের আত্মসমর্পণ

বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা :
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 1583

সাভারের মজিদপুরের কাঠালবাগান মহল্লায় এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটে, যেখানে ২৩ বছর বয়সী এক মেয়ে তার বাবা আব্দুস সাত্তার (৫৬) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এই ঘটনার পর নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানিয়ে আত্মসমর্পণ করে।

হত্যার বিস্তারিত তথ্য

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নিহত আব্দুস সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটিকে যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন। এর আগে, মেয়েটি নাটোরের সিংড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছিলেন, যেখানে তার বাবা জেলও খেটেছিলেন। কিছুদিন পর, তারা সাভারের ভাড়া বাসায় একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানে পুনরায় মেয়েটির উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়।

হত্যার প্রণালী

গত রাতের ঘটনা অনুযায়ী, মেয়েটি তার বাবাকে খাওয়ার সঙ্গে ২০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে দেয়। এরপর, ভোর রাতে, সে তার বাবাকে কুপিয়ে এবং ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। হত্যার পর, অভিযুক্ত মেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের কাছে ঘটনাটি জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুস সাত্তারের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে এবং মেয়েকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

তদন্ত ও ময়নাতদন্ত

সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীনুর কবির ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এখন পর্যন্ত, পুলিশ অভিযুক্ত মেয়ের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত চালাচ্ছে।

ট্যাগস :

যৌন নির্যাতনের পর বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ৯৯৯-এ কল দিয়ে মেয়ের আত্মসমর্পণ

আপডেট সময় : ০২:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

সাভারের মজিদপুরের কাঠালবাগান মহল্লায় এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটে, যেখানে ২৩ বছর বয়সী এক মেয়ে তার বাবা আব্দুস সাত্তার (৫৬) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এই ঘটনার পর নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানিয়ে আত্মসমর্পণ করে।

হত্যার বিস্তারিত তথ্য

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নিহত আব্দুস সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটিকে যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন। এর আগে, মেয়েটি নাটোরের সিংড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছিলেন, যেখানে তার বাবা জেলও খেটেছিলেন। কিছুদিন পর, তারা সাভারের ভাড়া বাসায় একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানে পুনরায় মেয়েটির উপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়।

হত্যার প্রণালী

গত রাতের ঘটনা অনুযায়ী, মেয়েটি তার বাবাকে খাওয়ার সঙ্গে ২০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে দেয়। এরপর, ভোর রাতে, সে তার বাবাকে কুপিয়ে এবং ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। হত্যার পর, অভিযুক্ত মেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের কাছে ঘটনাটি জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আব্দুস সাত্তারের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে এবং মেয়েকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

তদন্ত ও ময়নাতদন্ত

সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীনুর কবির ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এখন পর্যন্ত, পুলিশ অভিযুক্ত মেয়ের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত চালাচ্ছে।