টাঙ্গাইলে দশ বছর বয়সী মাদরাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে এক সিএনজি চালকের বিরুদ্ধে। শিশুটি স্থানীয় বাগানে কুল কুড়াতে গেলে সিএনজি চালক ফিরোজ শিশুটিকে ডেকে নিয়ে টয়লেটের ভেতর ধর্ষণ করে ও সেই ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে হুমকি দেয়।
সালিশের আয়োজন ও অর্থ লেনদেন:
বিষয়টি ধামাচাপা দিতে জোরপূর্বক গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। সালিশে ধর্ষণের মূল্য দেড় লাখ টাকা নির্ধারণ করা হলেও পরিবারের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় ৯২ হাজার টাকা। বাকি ৫২ হাজার টাকা মাতাব্বররা ঘুষ নেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
আইনি পদক্ষেপ ও পুলিশের ভূমিকা:
ঘটনা জানাজানি হলে দশজনকে আসামি করে মামলা দেয়া হয়। ভিকটিমকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নিলে ৮ মার্চ রাতে শিশুটির মা ধর্ষক ও সালিশে জড়িত ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার এইচ.এম. মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী জানান, ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করেছে। তবে কয়েকজন কিছুদিন আগেই এলাকা ছাড়ায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে যারা সালিস আয়োজন করেছিল, তাদেরও মামলার আসামি করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া ও বিক্ষোভ:
আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা।
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।