অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করলো ইরান
- আপডেট সময় : ১২:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
- / 178
শান্ত হওয়ার বদলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এখন রূপ নিয়েছে ভয়াবহ মহাপ্রলয়ে। একদিকে ইসরায়েলের আকাশচুম্বী হামলা, অন্যদিকে ইরানের অনড় অবস্থান—সব মিলিয়ে বিশ্ব এখন তৃতীয় মহাযুদ্ধের দোরগোড়ায়। ইসরায়েলি বাহিনীর বিধ্বংসী হামলায় ইরানি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স লণ্ডভণ্ড হওয়ার পর এবার সরাসরি ময়দানে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের প্রত্যাখ্যান ও ইসরায়েলের মরণকামড়:
যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি ছাড়া কোনো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি মানবে না ইরান। ৪৫ দিনের একটি প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তিকে “যথেষ্ট নয়” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। এর পরপরই ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শুধু তাই নয়, আইআরজিসির (IRGC) দুইজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী। তেহরানে হওয়া এই হামলায় ৬টি নিষ্পাপ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। পাল্টা জবাবে ইসরায়েলের হাইফায় ইরানের হামলায় ৪ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
ট্রাম্পের আল্টিমেটাম ও এফ-১৫ ক্রু উদ্ধার:
এই উত্তাল পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসীর নজর এখন হোয়াইট হাউসের দিকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে হবে। অন্যথায় পরিণাম হবে ভয়াবহ। আজ এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ইরানের আকাশে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন এফ-১৫ বিমানের ক্রু সদস্যকে উদ্ধারের বিস্তারিত পরিকল্পনা জানাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হুমকির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি:
ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার পরিণতি কেবল এই অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকা এবং পেট্রোকেমিক্যাল খাতে হামলার প্রভাব বিশ্বের জ্বালানি বাজারে আগুন ধরিয়ে দিতে পারে।
এখন প্রশ্ন একটাই—মঙ্গলবার কি শেষ পর্যন্ত বড় কোনো ধ্বংসলীলার সাক্ষী হতে যাচ্ছে পৃথিবী?


























