ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জ বিএনপি সম্মেলন: বাদ পড়লেন জ্যেষ্ঠ নেতা ফজলুর রহমান

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 258

দীর্ঘ ৯ বছর পর আগামীকাল শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও দলের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান এতে আমন্ত্রণ পাননি। সম্প্রতি দল থেকে তিন মাসের জন্য স্থগিত হওয়ায় তাকে ব্যানার ও দাওয়াতপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

আবেগঘন ফজলুর রহমান: দল আমাকে বাতিল করেছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ফজলুর রহমান তার হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমাকে বলা হয়েছে আমি বাতিল হয়ে গেছি, কিশোরগঞ্জ সম্মেলনে যেতে পারব না। এগুলো কে সহ্য করতে পারে? আমিও তো মানুষ, এই দলের জন্য কিনা করেছি! জেল খেটেছি, নির্বাসনে ছিলাম, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নামে ৩০০ বক্তৃতা দিয়েছি, যেটি বিশ্ব রেকর্ড।”

তিনি দাবি করেন, তার এই স্থগিতাদেশ সম্পর্কে দলের প্রধান খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান সম্ভবত অবগত নন। তিনি বলেন, “বিএনপির নেতাদের চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজির বিরুদ্ধে আমি যে বক্তৃতা করি, এ বক্তৃতা কেউ করে না। একটা কথার জন্য আমাকে তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।” ফজলুর রহমান সম্মেলনের আগে তার স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার জন্য দলীয় নেতাদের কাছে অনুরোধ জানান।

দলের জন্য রক্ত ঝরিয়েছি, এখন ব্রাত্য

ফজলুর রহমান তার অতীত ত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর খালেদা জিয়াই তাকে কিশোরগঞ্জে দলের আহ্বায়ক করে সংগঠন গোছানোর দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তিনি হামলার শিকার হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায়ও সম্মেলনে হাজির হয়েছেন।

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, “কিশোরগঞ্জে আট বছর আমি নেতৃত্ব দিয়েছি। কয়েকদিন পর সেখানে সম্মেলন, যেখানে হাজার হাজার নেতাকর্মী আসবে, আর আমি ঢাকায় বসে থাকব? যে বিএনপির জন্য আমি মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি, সেই বিএনপি থেকে কেউ বলতে পারে না ফজলু সম্মেলনে আসুক। কেউ বলার লোক নেই। আমি তো জানি আছে।”

কিশোরগঞ্জ বিএনপি সম্মেলন: বাদ পড়লেন জ্যেষ্ঠ নেতা ফজলুর রহমান

আপডেট সময় : ০৮:০৪:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ৯ বছর পর আগামীকাল শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও দলের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান এতে আমন্ত্রণ পাননি। সম্প্রতি দল থেকে তিন মাসের জন্য স্থগিত হওয়ায় তাকে ব্যানার ও দাওয়াতপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

আবেগঘন ফজলুর রহমান: দল আমাকে বাতিল করেছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ফজলুর রহমান তার হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমাকে বলা হয়েছে আমি বাতিল হয়ে গেছি, কিশোরগঞ্জ সম্মেলনে যেতে পারব না। এগুলো কে সহ্য করতে পারে? আমিও তো মানুষ, এই দলের জন্য কিনা করেছি! জেল খেটেছি, নির্বাসনে ছিলাম, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নামে ৩০০ বক্তৃতা দিয়েছি, যেটি বিশ্ব রেকর্ড।”

তিনি দাবি করেন, তার এই স্থগিতাদেশ সম্পর্কে দলের প্রধান খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান সম্ভবত অবগত নন। তিনি বলেন, “বিএনপির নেতাদের চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজির বিরুদ্ধে আমি যে বক্তৃতা করি, এ বক্তৃতা কেউ করে না। একটা কথার জন্য আমাকে তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।” ফজলুর রহমান সম্মেলনের আগে তার স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার জন্য দলীয় নেতাদের কাছে অনুরোধ জানান।

দলের জন্য রক্ত ঝরিয়েছি, এখন ব্রাত্য

ফজলুর রহমান তার অতীত ত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর খালেদা জিয়াই তাকে কিশোরগঞ্জে দলের আহ্বায়ক করে সংগঠন গোছানোর দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তিনি হামলার শিকার হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায়ও সম্মেলনে হাজির হয়েছেন।

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, “কিশোরগঞ্জে আট বছর আমি নেতৃত্ব দিয়েছি। কয়েকদিন পর সেখানে সম্মেলন, যেখানে হাজার হাজার নেতাকর্মী আসবে, আর আমি ঢাকায় বসে থাকব? যে বিএনপির জন্য আমি মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি, সেই বিএনপি থেকে কেউ বলতে পারে না ফজলু সম্মেলনে আসুক। কেউ বলার লোক নেই। আমি তো জানি আছে।”