শান্তির নোবেল পেলেন ‘গণহত্যার সমর্থক’ মাচাদো: সমালোচনার ঝড়
- আপডেট সময় : ১০:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
- / 470
ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করার ঘোষণা দিয়েছে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি। ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে মাচাদোকে ‘সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ শান্তির নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, “তিনি এমন এক নারী, যিনি ক্রমবর্ধমান অন্ধকারের মধ্যেও গণতন্ত্রের শিখা জ্বালিয়ে রেখেছেন।”
তবে মাচাদোর এই নোবেল প্রাপ্তি শুরুতেই বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, কারণ তিনি প্রকাশ্যে গাজায় গণহত্যা চালানো ইসরায়েলের একজন বড় সমর্থক।
নোবেল বিজয়ী মাচাদোর ইসরায়েল-সমর্থন
মারিয়া কোরিনা মাচাদো এবং তাঁর রাজনৈতিক দল ইসরায়েলের প্রতি দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করে এসেছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ক্লিপ ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিশ্রুতি: ইসরায়েলি একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাচাদো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন:
“ভেনেজুয়েলা এবং ইসরায়েলের মধ্যে গভীর সম্পর্ক স্থাপন হবে—আমি এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আমাদের সরকার ইসরাইলে ভেনেজুয়েলার দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করবে। ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের সমর্থনের অংশ হিসেবে এটা করা হবে।”
রাজনৈতিক সহযোগিতা: ভেনেজুয়েলান ভয়েস জানিয়েছে, মাচাদোর দল ভেন্তে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি একটি সহযোগিতা চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে।
কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধার: ‘টাইমস অব ইসরাইল’ জানিয়েছে, মাচাদো ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, ২০০৮-০৯ সালে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর ভেনেজুয়েলা ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনার পরও মাচাদো ইসরায়েলের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।


























