ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘পরিণতি হাসিনার চেয়েও ভয়াবহ হবে!’ প্রধানমন্ত্রীকে শিবিরের আল্টিমেটাম

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 96

জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে শহীদ মিনারের পবিত্র চত্বরে বাজল গর্জন! যেখানে কথা ছিল বিপ্লবের রক্তাক্ত পথ বেয়ে আসা ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে স্লোগান তোলার, সেখানে উল্টো রাজপথে নামতে হলো সহযোদ্ধাদের সশস্ত্র তাণ্ডব রুখতে। শিক্ষাঙ্গনে বাংলাদেশ ছাত্রদলের লাগামহীন ক্যাডাররাজ, বহিরাগত ‘আদুভাই’ দিয়ে সন্ত্রাসী হামলা এবং হল দখলের প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

বুধবার সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, সব গণহত্যার বিচার নিশ্চিতকরণ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে’ আয়োজিত বিশাল ছাত্র গণজমায়েত থেকে শাসকদল বিএনপি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্বরাষ্ট্র প্রশাসনকে তীব্র ভাষায় তোপ দাগা হলো। খবরের বিস্তারিত প্রেক্ষাপট ও রক্ত গরম করা বক্তব্যের বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

‘১৫-২০ বছর আগের আদুভাই দিয়ে তাণ্ডব’, বিস্ফোরক শিবির সভাপতি

সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে তোপ দাগেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। ক্যাম্পাসগুলোতে সাম্প্রতিক হামলার চালচিত্র তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল যারা হামলা চালিয়েছে তারা কোনো সাধারণ শিক্ষার্থী নয়, বরং নারায়ণগঞ্জ ও কেরাণীগঞ্জ থেকে ভাড়া করে আনা চিহ্নিত সশস্ত্র বহিরাগত।

ছাত্রদলের বর্তমান নেতৃত্বের দিকে আঙুল তুলে শিবির সভাপতি বলেন, “ক্যাম্পাসে ছাত্রদল যাদের দিয়ে কমিটি গঠন করেছে, তাদের অনেকের ছাত্রজীবন ১৫ থেকে ২০ বছর আগেই শেষ হয়ে গেছে! এই ‘আদুভাই’দের ক্যাম্পাসে এনে নির্বাচিত ছাত্রপ্রতিনিধিদের ওপর পৈশাচিক হামলা চালানো হয়েছে।” তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় সশস্ত্র হামলা এবং গ্রাফিক্স আর্টস কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাতে ঘুমে থাকা অবস্থায় রামদা, চাপাতি, কোদাল ও রিভলভার দিয়ে হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি কমিশনারকে বারবার জানানো হলেও পুলিশের সামনেই সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ছাত্রলীগ যেভাবে পুলিশের আশ্রয় পেত, এই নব্য ফ্যাসিবাদের আমলেও পুলিশ তাদের আশ্রয়দাতায় পরিণত হয়েছে। শিবিরের সহনশীলতাকে দুর্বলতা ভাববেন না। প্রধানমন্ত্রী যদি এই ‘সন্ত্রাসী দলের’ লাগাম না টানেন, তবে রাজপথে তাদের প্রতিরোধ করা হবে। প্রতিটি রক্তবিন্দুর জবাব টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত নেওয়া হবে!”

রাজনৈতিক পরাজয় ঢাকতেই গুন্ডামি: জামায়াত নেতৃবৃন্দ

সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম বিএনপির সুবুদ্ধির উদয় হয়েছে এবং এবার শিক্ষাঙ্গনে মেধার চর্চা ও গবেষণা হবে। কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে, ক্যাম্পাসগুলো দখল করে পুনরায় চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে জড়ানোর চেষ্টা চলছে।” তিনি আরও যোগ করেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের আদর্শিক জনপ্রিয়তার কাছে রাজনৈতিকভাবে হেরে গিয়েই ছাত্রদল এখন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের আইজি ও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাবেক শিবির সভাপতি ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, “শেখ হাসিনার আমলেও পুলিশের উপস্থিতিতে আমাদের ওপর হামলা হয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা সেই পুলিশ কর্মকর্তাদের রক্ষা করতে পারেননি, শেষমেশ জনরোষে তাকেও পালাতে হয়েছে। বর্তমান সরকারেরও সেই ইতিহাস মনে রাখা উচিত।”

অন্যদিকে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমীর নূরুল ইসলাম এমপি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শেষ মুহূর্তে এসেও আওয়ামী লীগ শিবিরকে নিষিদ্ধ করে আন্দোলন ভিন্নখাতে নিতে চেয়েছিল, কিন্তু শিবিরের বিচক্ষণতার সামনে টিকতে পারেনি।

‘তারেক রহমানের জন্য লজ্জার বিষয়’, তোপ ড. মাসুদের

সমাবেশে সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ও চাবুকের মতো বক্তব্য দেন শিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াত নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। ৫ আগস্টের বিজয় উৎসবের দিনে ছাত্রদলের অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে হওয়াকে বিএনপি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ‘পরম লজ্জার’ বলে অভিহিত করেন তিনি।

ড. মাসুদ সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বিরোধ মেধা নিয়ে নয়; বিরোধ হলো—ছাত্রদল টেন্ডারবাজি ও ফ্রিতে ক্যানটিন খেয়ে ক্যানটিন দেউলিয়া করতে চায়, আর শিবির তা করতে দেবে না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টেই এর ফয়সালা হয়ে গেছে। বিএনপিপ্রধান তারেক রহমানকে বলব, নিজের ছাত্রদলকে সামলান। তা না হলে ছাত্রলীগ যেভাবে আওয়ামী লীগের পতন ডেকে এনেছিল, এই রূপান্তর না হওয়া ছাত্রদলও তারেক রহমানের রাজনৈতিক পতন তরান্বিত করবে।”

সচিব সিবগাতুল্লাহর পরিচালনায় এই বিশাল গণজমায়েতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয়, ঢাকা মহানগর, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার সাধারণ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

‘পরিণতি হাসিনার চেয়েও ভয়াবহ হবে!’ প্রধানমন্ত্রীকে শিবিরের আল্টিমেটাম

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে শহীদ মিনারের পবিত্র চত্বরে বাজল গর্জন! যেখানে কথা ছিল বিপ্লবের রক্তাক্ত পথ বেয়ে আসা ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে স্লোগান তোলার, সেখানে উল্টো রাজপথে নামতে হলো সহযোদ্ধাদের সশস্ত্র তাণ্ডব রুখতে। শিক্ষাঙ্গনে বাংলাদেশ ছাত্রদলের লাগামহীন ক্যাডাররাজ, বহিরাগত ‘আদুভাই’ দিয়ে সন্ত্রাসী হামলা এবং হল দখলের প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

বুধবার সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, সব গণহত্যার বিচার নিশ্চিতকরণ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে’ আয়োজিত বিশাল ছাত্র গণজমায়েত থেকে শাসকদল বিএনপি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্বরাষ্ট্র প্রশাসনকে তীব্র ভাষায় তোপ দাগা হলো। খবরের বিস্তারিত প্রেক্ষাপট ও রক্ত গরম করা বক্তব্যের বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

‘১৫-২০ বছর আগের আদুভাই দিয়ে তাণ্ডব’, বিস্ফোরক শিবির সভাপতি

সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে তোপ দাগেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। ক্যাম্পাসগুলোতে সাম্প্রতিক হামলার চালচিত্র তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল যারা হামলা চালিয়েছে তারা কোনো সাধারণ শিক্ষার্থী নয়, বরং নারায়ণগঞ্জ ও কেরাণীগঞ্জ থেকে ভাড়া করে আনা চিহ্নিত সশস্ত্র বহিরাগত।

ছাত্রদলের বর্তমান নেতৃত্বের দিকে আঙুল তুলে শিবির সভাপতি বলেন, “ক্যাম্পাসে ছাত্রদল যাদের দিয়ে কমিটি গঠন করেছে, তাদের অনেকের ছাত্রজীবন ১৫ থেকে ২০ বছর আগেই শেষ হয়ে গেছে! এই ‘আদুভাই’দের ক্যাম্পাসে এনে নির্বাচিত ছাত্রপ্রতিনিধিদের ওপর পৈশাচিক হামলা চালানো হয়েছে।” তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় সশস্ত্র হামলা এবং গ্রাফিক্স আর্টস কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাতে ঘুমে থাকা অবস্থায় রামদা, চাপাতি, কোদাল ও রিভলভার দিয়ে হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি কমিশনারকে বারবার জানানো হলেও পুলিশের সামনেই সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ছাত্রলীগ যেভাবে পুলিশের আশ্রয় পেত, এই নব্য ফ্যাসিবাদের আমলেও পুলিশ তাদের আশ্রয়দাতায় পরিণত হয়েছে। শিবিরের সহনশীলতাকে দুর্বলতা ভাববেন না। প্রধানমন্ত্রী যদি এই ‘সন্ত্রাসী দলের’ লাগাম না টানেন, তবে রাজপথে তাদের প্রতিরোধ করা হবে। প্রতিটি রক্তবিন্দুর জবাব টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত নেওয়া হবে!”

রাজনৈতিক পরাজয় ঢাকতেই গুন্ডামি: জামায়াত নেতৃবৃন্দ

সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম বিএনপির সুবুদ্ধির উদয় হয়েছে এবং এবার শিক্ষাঙ্গনে মেধার চর্চা ও গবেষণা হবে। কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে, ক্যাম্পাসগুলো দখল করে পুনরায় চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে জড়ানোর চেষ্টা চলছে।” তিনি আরও যোগ করেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের আদর্শিক জনপ্রিয়তার কাছে রাজনৈতিকভাবে হেরে গিয়েই ছাত্রদল এখন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের আইজি ও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাবেক শিবির সভাপতি ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, “শেখ হাসিনার আমলেও পুলিশের উপস্থিতিতে আমাদের ওপর হামলা হয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা সেই পুলিশ কর্মকর্তাদের রক্ষা করতে পারেননি, শেষমেশ জনরোষে তাকেও পালাতে হয়েছে। বর্তমান সরকারেরও সেই ইতিহাস মনে রাখা উচিত।”

অন্যদিকে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমীর নূরুল ইসলাম এমপি স্মরণ করিয়ে দেন যে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শেষ মুহূর্তে এসেও আওয়ামী লীগ শিবিরকে নিষিদ্ধ করে আন্দোলন ভিন্নখাতে নিতে চেয়েছিল, কিন্তু শিবিরের বিচক্ষণতার সামনে টিকতে পারেনি।

‘তারেক রহমানের জন্য লজ্জার বিষয়’, তোপ ড. মাসুদের

সমাবেশে সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ও চাবুকের মতো বক্তব্য দেন শিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াত নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। ৫ আগস্টের বিজয় উৎসবের দিনে ছাত্রদলের অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে হওয়াকে বিএনপি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ‘পরম লজ্জার’ বলে অভিহিত করেন তিনি।

ড. মাসুদ সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বিরোধ মেধা নিয়ে নয়; বিরোধ হলো—ছাত্রদল টেন্ডারবাজি ও ফ্রিতে ক্যানটিন খেয়ে ক্যানটিন দেউলিয়া করতে চায়, আর শিবির তা করতে দেবে না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টেই এর ফয়সালা হয়ে গেছে। বিএনপিপ্রধান তারেক রহমানকে বলব, নিজের ছাত্রদলকে সামলান। তা না হলে ছাত্রলীগ যেভাবে আওয়ামী লীগের পতন ডেকে এনেছিল, এই রূপান্তর না হওয়া ছাত্রদলও তারেক রহমানের রাজনৈতিক পতন তরান্বিত করবে।”

সচিব সিবগাতুল্লাহর পরিচালনায় এই বিশাল গণজমায়েতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয়, ঢাকা মহানগর, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার সাধারণ শিক্ষার্থী অংশ নেন।