ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেকোনো হামলা রোধের আশ্বাস দিয়েছেন তারেক রহমান

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 126

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মধ্যে এক ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের আবাসিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে জামায়াত আমির তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানান।

জাতীয় রাজনীতির নতুন অধ্যায়

সাক্ষাৎ শেষে রাত ৮টার দিকে তারেক রহমান জামায়াত আমিরের বাসভবন ত্যাগ করেন। এই বৈঠককে জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন,

“আমি তার এই আগমনকে স্বাগত জানাই এবং প্রত্যাশা রাখি, এটি রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।”

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধে আশ্বাস

বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন-পরবর্তী নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জামায়াত আমির জানান, তারেক রহমান তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা রোধে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। ডা. শফিকুর রহমান এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, দেশের কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।

আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের অবস্থান

জামায়াত আমির তার পোস্টে স্পষ্ট করেন যে, জাতীয় স্বার্থে তারা নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তবে আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তারা আপসহীন থাকবেন। তিনি বলেন,

জামায়াতের উদ্দেশ্য সংঘাত নয়, বরং সংশোধন।

বাধা দেওয়া নয়, বরং পর্যবেক্ষণ করা।

ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ গড়া।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যারা

এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। অন্যদিকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

যেকোনো হামলা রোধের আশ্বাস দিয়েছেন তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৯:২৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মধ্যে এক ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের আবাসিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে জামায়াত আমির তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানান।

জাতীয় রাজনীতির নতুন অধ্যায়

সাক্ষাৎ শেষে রাত ৮টার দিকে তারেক রহমান জামায়াত আমিরের বাসভবন ত্যাগ করেন। এই বৈঠককে জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন,

“আমি তার এই আগমনকে স্বাগত জানাই এবং প্রত্যাশা রাখি, এটি রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।”

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধে আশ্বাস

বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন-পরবর্তী নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জামায়াত আমির জানান, তারেক রহমান তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো ধরনের হামলা রোধে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। ডা. শফিকুর রহমান এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, দেশের কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।

আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের অবস্থান

জামায়াত আমির তার পোস্টে স্পষ্ট করেন যে, জাতীয় স্বার্থে তারা নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। তবে আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে তারা আপসহীন থাকবেন। তিনি বলেন,

জামায়াতের উদ্দেশ্য সংঘাত নয়, বরং সংশোধন।

বাধা দেওয়া নয়, বরং পর্যবেক্ষণ করা।

ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ গড়া।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যারা

এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। অন্যদিকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।