বৈষম্যহীন নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল: ড. ইউনূস
- আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
- / 199
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
অভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য ও দেশের বর্তমান পরিস্থিতি
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরাচারী অপশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধের ফল ছিল এই গণঅভ্যুত্থান। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে রাষ্ট্রকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। তিনি জানান, এই লক্ষ্য পূরণে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রাষ্ট্রের সকল খাতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সাবেক স্বৈরাচার ও তার অনুগত স্বার্থলোভী গোষ্ঠী এখনো দেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দলমত নির্বিশেষে সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার আহ্বান জানান তিনি।
গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা
অধ্যাপক ইউনূস এই দিনটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আজ থেকে এক বছর আগে এই দিনেই ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে প্রিয় স্বদেশ মুক্ত হয়। তিনি সেইসব সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর এবং পেশাজীবীদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন, যারা গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছেন। এছাড়াও, তিনি আহত, চিরতরে পঙ্গু এবং দৃষ্টিশক্তি হারানো সকল জুলাই যোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
ড. ইউনূস বলেন, জুলাই গণহত্যার বিচারের কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে এবং শহীদদের স্মৃতি রক্ষা ও আহতদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অঙ্গীকার
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, একটি টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই লক্ষ্যে রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় সকল সংস্কারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।


























