ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে ভারতের সামরিক মহড়া: উদ্বেগে বাংলাদেশ

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / 252

হঠাৎ করেই সীমান্ত এলাকায় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের সংখ্যা বাড়ায় ভারত। সেটি নিয়েই যখন আলোচনা চলছিল বিভিন্ন মহলে, ঠিক তখনই সীমান্ত এলাকায় সুসজ্জিত আধুনিক ট্যাংক নিয়ে মহড়া চালিয়ে সেই আগুনে ঘি ঢাললো ভারত। এমনিতেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালানোর পর থেকেই বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক ভালো নেই। মাঝেমধ্যেই সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সামরিক তৎপরতা ও অত্যাধুনিক অস্ত্র:

এবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কোর্পস সীমান্ত এলাকায় তাদের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে, যা বেশ চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে সিকিম এবং শিলিগুড়ি করিডরের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তারা একটি বিশাল সামরিক মহড়া আয়োজন করেছে, যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক টি-৯০ ট্যাংক এর সাথে অত্যাধুনিক ভারী যুদ্ধাস্ত্র। ভারত এই মহড়া চালানোর পরই তা নিয়ে চারিদিকে আলোচনা চলছে। ঠিক কোন উদ্দেশ্যে ভারত হঠাৎ করেই সীমান্তে এভাবে মহড়া চালাল, সেটি নিয়েও চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে।

 সামরিক মহড়ার উদ্দেশ্য ও আন্তর্জাতিক রীতি:

মূলত কোনো দেশ সীমান্তে ভারী অস্ত্র ও ট্যাংক নিয়ে মহড়া তখনই চালায়, যখন কোনো দেশের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হয়। তবে, সামরিক মহড়া চালিয়ে কোনো দেশ যদি তাদের সামরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করে, তবে এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক দেশই সময় সময় সামরিক মহড়া পরিচালনা করে থাকে। এবার সেই তালিকায় ভারতের নামও নতুনভাবে যুক্ত হলো। এই মহড়ায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধ ট্যাংক টি-৯০ ব্যবহার করা হয়েছে। এই ট্যাংকের ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম অত্যন্ত উন্নত এবং এটি শত্রু বাহিনীর ট্যাংক বা অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে উচ্চ মাত্রার নির্ভুলতা নিয়ে আঘাত হানতে সক্ষম।

 বাংলাদেশের উদ্বেগ ও বিশ্লেষকদের মত:

ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই সাম্প্রতিক মহড়া বাংলাদেশের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভারতের এই মহড়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। এতে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বাংলাদেশের জন্য।

সীমান্তে ভারতের সামরিক মহড়া: উদ্বেগে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

হঠাৎ করেই সীমান্ত এলাকায় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের সংখ্যা বাড়ায় ভারত। সেটি নিয়েই যখন আলোচনা চলছিল বিভিন্ন মহলে, ঠিক তখনই সীমান্ত এলাকায় সুসজ্জিত আধুনিক ট্যাংক নিয়ে মহড়া চালিয়ে সেই আগুনে ঘি ঢাললো ভারত। এমনিতেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালানোর পর থেকেই বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক ভালো নেই। মাঝেমধ্যেই সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সামরিক তৎপরতা ও অত্যাধুনিক অস্ত্র:

এবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কোর্পস সীমান্ত এলাকায় তাদের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে, যা বেশ চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে সিকিম এবং শিলিগুড়ি করিডরের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তারা একটি বিশাল সামরিক মহড়া আয়োজন করেছে, যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক টি-৯০ ট্যাংক এর সাথে অত্যাধুনিক ভারী যুদ্ধাস্ত্র। ভারত এই মহড়া চালানোর পরই তা নিয়ে চারিদিকে আলোচনা চলছে। ঠিক কোন উদ্দেশ্যে ভারত হঠাৎ করেই সীমান্তে এভাবে মহড়া চালাল, সেটি নিয়েও চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে।

 সামরিক মহড়ার উদ্দেশ্য ও আন্তর্জাতিক রীতি:

মূলত কোনো দেশ সীমান্তে ভারী অস্ত্র ও ট্যাংক নিয়ে মহড়া তখনই চালায়, যখন কোনো দেশের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হয়। তবে, সামরিক মহড়া চালিয়ে কোনো দেশ যদি তাদের সামরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করে, তবে এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক দেশই সময় সময় সামরিক মহড়া পরিচালনা করে থাকে। এবার সেই তালিকায় ভারতের নামও নতুনভাবে যুক্ত হলো। এই মহড়ায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধ ট্যাংক টি-৯০ ব্যবহার করা হয়েছে। এই ট্যাংকের ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম অত্যন্ত উন্নত এবং এটি শত্রু বাহিনীর ট্যাংক বা অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে উচ্চ মাত্রার নির্ভুলতা নিয়ে আঘাত হানতে সক্ষম।

 বাংলাদেশের উদ্বেগ ও বিশ্লেষকদের মত:

ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই সাম্প্রতিক মহড়া বাংলাদেশের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, ভারতের এই মহড়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। এতে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বাংলাদেশের জন্য।