ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর খসড়া প্রকাশ

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
  • / 439

ঢাকা, ২৮ জুলাই ২০২৫ – ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক সুযোগকে কাজে লাগাতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে। এই খসড়া সনদটি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে পাঠানো হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ আলোচনার পর সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সংস্কারের লক্ষ্যে এই ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও দীর্ঘদিনের বঞ্চনা: সনদের পটভূমি

সনদের পটভূমিতে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, দীর্ঘ ৫৩ বছরেও তা অর্জিত হয়নি। কারণ, গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ও সংস্কৃতি বারবার হোঁচট খেয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল ও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। বিগত দেড় দশকে একটি দলীয় সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করে সংবিধান বিকৃতি, নিবর্তনমূলক আইন প্রণয়ন, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস, বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসনের দলীয়করণ এবং ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে এক বিভীষিকাময় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।

এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে এক অভূতপূর্ব সফল গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এতে শিশু ও নারীসহ ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিরস্ত্র নাগরিক নিহত এবং ২০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। তাদের আত্মত্যাগ ও জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই পটভূমিই জনগণের মনে রাষ্ট্র-কাঠামো পুনর্গঠনের একটি প্রবল অভিপ্রায় সৃষ্টি করেছে এবং সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থার সংস্কারের এক ঐতিহাসিক সুযোগ এনে দিয়েছে।

সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের গঠন ও কার্যক্রম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কারে উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সরকার সংবিধান সংস্কার, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, বিচার বিভাগ সংস্কার, জনপ্রশাসন সংস্কার, পুলিশ সংস্কার ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার – এই ছয়টি কমিশন গঠন করে। কমিশনগুলো ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশসহ তাদের প্রতিবেদন দাখিল করে।

এরপর, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে প্রধান উপদেষ্টাকে সভাপতি করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশনের দায়িত্ব ছিল গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ বিবেচনা করে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিসমূহের সঙ্গে আলোচনা করা এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপ সুপারিশ করা।

কমিশন ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের মধ্যে ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদন সব রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠায়। এরপর ৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে পুলিশ সংস্কার কমিশন ব্যতীত অপর পাঁচটি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ (৭০টি সংবিধান সংস্কার, ২৭টি নির্বাচন সংস্কার, ২৩টি বিচার বিভাগ, ২৬টি জনপ্রশাসন ও ২৭টি দুর্নীতি দমন বিষয়ক) ৩৮টি রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে মতামতের জন্য পাঠানো হয়।

মোট ৩৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট কমিশনের কাছে তাদের মতামত পেশ করে। ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে ২০২৫ পর্যন্ত ৩২টি দল ও জোটের সঙ্গে কমিশনের ৪৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব আলোচনার ফলস্বরূপই ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ প্রণীত হয়েছে। এই সনদে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

ঐকমত্যের বিষয়বস্তু ও অঙ্গীকারনামা

সনদের ৫ নম্বর ধারায় ঐকমত্যে উপনীত হওয়ার বিষয়সমূহ (সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে কাঠামোগত, আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন) পরে যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা প্রথম ও চলমান দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার পর চূড়ান্ত হবে।

‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা’ অংশে বলা হয়েছে, নিম্নস্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দলগুলো এই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তারা সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন, লিখন ও পুনর্লিখন এবং বিদ্যমান আইনের সংশোধন বা নতুন আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিশেষত, এই সনদে লিপিবদ্ধ প্রস্তাব/সুপারিশসমূহ পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে এবং এসব সংস্কার টেকসই করতে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। এছাড়াও, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সংবিধানে যথাযোগ্য স্বীকৃতি দিতেও তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর খসড়া প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

ঢাকা, ২৮ জুলাই ২০২৫ – ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক সুযোগকে কাজে লাগাতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে। এই খসড়া সনদটি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে পাঠানো হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ আলোচনার পর সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সংস্কারের লক্ষ্যে এই ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও দীর্ঘদিনের বঞ্চনা: সনদের পটভূমি

সনদের পটভূমিতে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, দীর্ঘ ৫৩ বছরেও তা অর্জিত হয়নি। কারণ, গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ও সংস্কৃতি বারবার হোঁচট খেয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল ও অকার্যকর হয়ে পড়েছে। বিগত দেড় দশকে একটি দলীয় সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করে সংবিধান বিকৃতি, নিবর্তনমূলক আইন প্রণয়ন, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস, বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসনের দলীয়করণ এবং ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে এক বিভীষিকাময় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।

এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে এক অভূতপূর্ব সফল গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এতে শিশু ও নারীসহ ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিরস্ত্র নাগরিক নিহত এবং ২০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। তাদের আত্মত্যাগ ও জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই পটভূমিই জনগণের মনে রাষ্ট্র-কাঠামো পুনর্গঠনের একটি প্রবল অভিপ্রায় সৃষ্টি করেছে এবং সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থার সংস্কারের এক ঐতিহাসিক সুযোগ এনে দিয়েছে।

সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের গঠন ও কার্যক্রম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে, ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কারে উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সরকার সংবিধান সংস্কার, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, বিচার বিভাগ সংস্কার, জনপ্রশাসন সংস্কার, পুলিশ সংস্কার ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার – এই ছয়টি কমিশন গঠন করে। কমিশনগুলো ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশসহ তাদের প্রতিবেদন দাখিল করে।

এরপর, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে প্রধান উপদেষ্টাকে সভাপতি করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশনের দায়িত্ব ছিল গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ বিবেচনা করে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিসমূহের সঙ্গে আলোচনা করা এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপ সুপারিশ করা।

কমিশন ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের মধ্যে ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদন সব রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠায়। এরপর ৫ মার্চ ২০২৫ তারিখে পুলিশ সংস্কার কমিশন ব্যতীত অপর পাঁচটি কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ (৭০টি সংবিধান সংস্কার, ২৭টি নির্বাচন সংস্কার, ২৩টি বিচার বিভাগ, ২৬টি জনপ্রশাসন ও ২৭টি দুর্নীতি দমন বিষয়ক) ৩৮টি রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে মতামতের জন্য পাঠানো হয়।

মোট ৩৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট কমিশনের কাছে তাদের মতামত পেশ করে। ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে ২০২৫ পর্যন্ত ৩২টি দল ও জোটের সঙ্গে কমিশনের ৪৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব আলোচনার ফলস্বরূপই ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ প্রণীত হয়েছে। এই সনদে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।

ঐকমত্যের বিষয়বস্তু ও অঙ্গীকারনামা

সনদের ৫ নম্বর ধারায় ঐকমত্যে উপনীত হওয়ার বিষয়সমূহ (সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে কাঠামোগত, আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন) পরে যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা প্রথম ও চলমান দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার পর চূড়ান্ত হবে।

‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা’ অংশে বলা হয়েছে, নিম্নস্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দলগুলো এই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তারা সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন, লিখন ও পুনর্লিখন এবং বিদ্যমান আইনের সংশোধন বা নতুন আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিশেষত, এই সনদে লিপিবদ্ধ প্রস্তাব/সুপারিশসমূহ পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে এবং এসব সংস্কার টেকসই করতে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। এছাড়াও, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সংবিধানে যথাযোগ্য স্বীকৃতি দিতেও তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।