বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপে টানা বৃষ্টি: ছয় জেলায় ৩ দিনের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা
- আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
- / 262
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এ টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলের ফলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। শুক্রবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের নদীগুলোতে সতর্কতা
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, ফেনী, হালদা, সাঙ্গু, ও মাতামুহুরী নদীর পানি আগামী ২৪ ঘণ্টায় সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময় মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং মাতামুহুরী নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে ফেনী জেলার মুহুরী নদীর পার্শ্ববর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগেও বন্যার ঝুঁকি
সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, মনু, ধলাই, খোয়াই ও সোমেশ্বরী নদীগুলোর পানি সমতল আগামী তিনদিনের মধ্যে বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময় এসব নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
রংপুর বিভাগে পানি বাড়লেও বন্যার সম্ভাবনা কম
রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীগুলোর পানি আগামী তিনদিন বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে তিস্তা নদী কেবল সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, তেমন কোনো বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়েছে।
উপকূলীয় জোয়ারে উচ্চতা ও অন্যান্য নদীর অবস্থা
আগামী একদিন বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় নদীগুলোতে স্বাভাবিকের তুলনায় অধিক উচ্চতায় জোয়ার দেখা দিতে পারে। একই সময়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীগুলোর পানির স্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আগামী তিনদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এ নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে।
ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও পদ্মার পানি পরিস্থিতি
ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে এবং বিপৎসীমার নিচে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী একদিন এ স্তর স্থিতিশীল থাকলেও পরবর্তী চারদিনে তা কিছুটা বাড়তে পারে। অন্যদিকে গঙ্গা নদীর পানির স্তরও স্থিতিশীল থাকলেও পদ্মা নদীর পানি বাড়ছে, যা আগামী পাঁচদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সবগুলো নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
















