ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এপ্রিলে ৪২ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে তাপমাত্রা, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 142

চৈত্র মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ স্বস্তিদায়ক কাটলেও বিদায়ী মার্চের শেষ থেকেই বাড়তে শুরু করেছে সূর্যের দাপট। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি এপ্রিল মাসে দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের পাশাপাশি শক্তিশালী কালবৈশাখী ও বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

মার্চের স্বস্তি ও বর্তমান পরিস্থিতি

গত মার্চ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় গরমের তীব্রতা তুলনামূলক কম ছিল। গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ছিল। তবে ১৫ চৈত্রের পর থেকেই প্রকৃতি পাল্টাতে শুরু করেছে। দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা, যা সামনের দিনগুলোতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

আসছে তীব্র তাপপ্রবাহ

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এছাড়া ১-২টি তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে পারদ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।

কালবৈশাখী ও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

অতিরিক্ত গরমের প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা পরবর্তীতে নিম্নচাপে রূপ নিয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ের তীব্রতা বেশি হতে পারে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চৈত্র-বৈশাখের এই সন্ধিক্ষণে তাপমাত্রার ব্যাপক পরিবর্তন জনজীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে কৃষিকাজ ও সাধারণ চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিলে ৪২ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে তাপমাত্রা, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

আপডেট সময় : ০৪:২১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

চৈত্র মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ স্বস্তিদায়ক কাটলেও বিদায়ী মার্চের শেষ থেকেই বাড়তে শুরু করেছে সূর্যের দাপট। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি এপ্রিল মাসে দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের পাশাপাশি শক্তিশালী কালবৈশাখী ও বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

মার্চের স্বস্তি ও বর্তমান পরিস্থিতি

গত মার্চ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় গরমের তীব্রতা তুলনামূলক কম ছিল। গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ছিল। তবে ১৫ চৈত্রের পর থেকেই প্রকৃতি পাল্টাতে শুরু করেছে। দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা, যা সামনের দিনগুলোতে আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

আসছে তীব্র তাপপ্রবাহ

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এছাড়া ১-২টি তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে পারদ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।

কালবৈশাখী ও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

অতিরিক্ত গরমের প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা পরবর্তীতে নিম্নচাপে রূপ নিয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ের তীব্রতা বেশি হতে পারে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চৈত্র-বৈশাখের এই সন্ধিক্ষণে তাপমাত্রার ব্যাপক পরিবর্তন জনজীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে কৃষিকাজ ও সাধারণ চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।