আটকের পর আসল পরিচয় ফাঁস: ছাত্রলীগ নেতাকে জামায়াতের তকমা
- আপডেট সময় : ১১:০১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 322
পটুয়াখালীর বাউফলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাইনুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, কারণ তাকে ছাড়াতে থানায় ছুটে এসেছেন স্থানীয় জামায়াতের এক নেতা। পুলিশের দাবি, মাইনুল ইসলাম একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।
যে কারণে আটক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রাম থেকে মাইনুলকে আটক করে বাউফল থানা পুলিশ। পুলিশের ভাষ্যমতে, মাইনুল ইসলাম একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য নিশ্চিত হয়ে তাকে আটক করা হয়। এর আগে সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজসহ অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মাইনুলের একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি ও তার ভাই আমিনুল আ স ম ফিরোজের শ্যালকের পক্ষে ভাঙচুর ও হানাহানির মতো ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
জামায়াত নেতার বিস্ফোরক তথ্য
আটক মাইনুল ইসলামকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় আসেন কেশবপুর ইউনিয়ন যুব জামায়াতের সভাপতি গোলাম আবু সাঈদ। তিনি মাইনুলের মুক্তির জন্য জোর তৎপরতা শুরু করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মাইনুল ছাত্রলীগের কোনো পদে ছিল না। বরং সে তার যুব কমিটির অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছে। এ কারণেই তিনি তাকে ছাড়াতে এসেছেন। গোলাম আবু সাঈদ আরও বলেন, “কেবল মাইনুলই নয়, জামায়াত ও বিএনপির নেতারাও অপুর (সদ্য সাবেক আওয়ামী চেয়ারম্যান) নির্বাচন করেছে।”
পুলিশের কঠোর অবস্থান
এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরুজ্জামান সরকার জানান, মাইনুলকে ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আটক হয়েছেন। তাকে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হবে। বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ মুহাম্মদ শাকুর জানান, আটক মাইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





















