ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবেশীর প্রতিপক্ষ ভারত: হাজারো পলাতক নেতার ষড়যন্ত্রের নিরাপদ আশ্রয়

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 199

একটি প্রবাদে বলা হয়, ‘আত্মীয়তা বদল করা যায়, কিন্তু প্রতিবেশী বদল করা যায় না’। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বর্তমান সুসম্পর্ক নেই বললেই চলে। ইসরাইলকে যেমন তার প্রতিবেশী দেশগুলো শত্রুরাষ্ট্র মনে করে, ভারতের অবস্থাও আজ অনেকটাই তেমন। বর্তমানে, বাংলাদেশ থেকে হাজারো অপরাধী ও রাজনৈতিক নেতা ভারতে আশ্রয় নিয়ে নতুন সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

বাংলাদেশ অভিযোগ করে বলছে, ভারত অপরাধীদের দমন না করে উল্টো তাদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৫০ বছর আগের ইতিহাসের নতুন আবির্ভাব ঘটেছে বলে অনেকে মনে করছেন।

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: জিয়াউর রহমান থেকে ড. ইউনূস

ইতিহাসবিদ কার্ল মার্কস বলেছেন, ‘ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না’। ভারত এবং আওয়ামী লীগ নেতারাও যেন এই শিক্ষা নেননি। ১৯৭৭ সালে যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারকে উৎখাতের লক্ষ্যে ভারতের আশ্রয়ে আবদুল কাদের সিদ্দিকীসহ অন্যরা অপতৎপরতা চালিয়েছিল, তখন ভারতের কংগ্রেস সরকারের পরিবর্তন হলে নতুন সরকার তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে। বর্তমানে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছেন। তারা এখন সেখানে রীতিমতো ‘আওয়ামী লীগ অফিস’ খুলে ড. ইউনূস সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছেন। কিন্তু মোদি সরকার এসব আওয়ামী সন্ত্রাসীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অবমূল্যায়ন করছে। বাংলাদেশ কূটনৈতিক চ্যানেলে এই তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানালেও ভারত এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো খুনের দায়ে অভিযুক্ত হাসিনা গংদের বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের কথা অস্বীকার করেছে দিল্লি।

ভারতের দ্বিমুখী নীতি: উলফা থেকে আওয়ামী লীগ

একসময় ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসামের ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) নেতা অনুপ চেটিয়াদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলত। অথচ প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ যথাযথ দায়িত্ব পালন করে উলফার নেতাদের আশ্রয় না দিয়ে ১৯৯৭ সালে তাদের গ্রেফতার করে। ২০১৫ সালে উলফার চেয়ারম্যান অরবিন্দ রাজখোয়াসহ অন্যান্য নেতাদের ভারতের হাতে তুলে দেয় বাংলাদেশ।

প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এমন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলেও, বর্তমান হিন্দুত্ববাদী ভারত শত শত খুনের হাজারো আসামিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করার সুযোগ করে দিচ্ছে। এসব খুনি-সন্ত্রাসীরা ভারতে বসে অবাধে চলাফেরা করছে, যা ওপেন-সিক্রেট। ভারতের গণমাধ্যমগুলো নিয়মিতভাবে পলাতক নেতাদের অবস্থানের খবর প্রচার করছে।

দিল্লিতে আওয়ামী লীগ অফিস এবং বাংলাদেশের প্রতিবাদ

গত ২১ জুলাই বাংলাদেশের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা দিল্লির প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে, যেখানে তারা সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার কথা জানায়। যদিও দিল্লি প্রশাসন শেষ মুহূর্তে ওই সংবাদ সম্মেলন করতে দেয়নি, তবুও পলাতক নেতারা বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে তাদের বক্তব্য প্রকাশ করছেন।

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ আরাফাতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনাসহ প্রায় ১ হাজার ৩০০ সাবেক মন্ত্রী-এমপি এবং বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেও জানা গেছে, কলকাতার নিউ টাউনে এসব নেতারা বসবাস করছেন। সেখানে তারা একটি বাণিজ্যিক ভবনে পার্টি অফিস খুলে নিয়মিত বৈঠক করছেন এবং সেখান থেকে দেশের ভেতর সন্ত্রাস, খুন ও অগ্নিসংযোগের নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে অবিলম্বে এই ধরনের কার্যকলাপ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। ২০ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, “নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পলাতক নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ভারতের মাটিতে যেকোনো ধরনের বাংলাদেশবিরোধী রাজনৈতিক কার্যকলাপ বাংলাদেশের জনগণ ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ। আমরা আশা করি, ভারত সরকার এ বিষয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং তাদের অফিস বন্ধ করে দেবে।”

পুশব্যাক ও তিস্তা প্রকল্প: ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বর্তমানে ভারত একদিকে নিচু আয়ের বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে ‘বাংলাদেশি তকমা’ দিয়ে সীমান্তে পুশব্যাক করছে, অন্যদিকে ইন্টারপোলের রেড-অ্যালার্ট থাকা অপরাধী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাচ্ছে না। মানবতাবিরোধী অপরাধসহ হাজারো মানুষ হত্যার দায়ে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলছে। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে ফেরত পাঠাতে ভারতের কাছে চিঠি দিলেও তার কোনো জবাব আসেনি।

এমতাবস্থায়, চীনের অর্থায়নে তিস্তা মহাপ্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্পটি চীনের জন্য বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করবে, যা ভৌগোলিকভাবে ভারতের ‘চিকেন নেক’ (শিলিগুড়ি করিডোর)-এর জন্য হুমকি হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, ভারত আরও আগ্রাসী হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।

প্রতিবেশীর প্রতিপক্ষ ভারত: হাজারো পলাতক নেতার ষড়যন্ত্রের নিরাপদ আশ্রয়

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

একটি প্রবাদে বলা হয়, ‘আত্মীয়তা বদল করা যায়, কিন্তু প্রতিবেশী বদল করা যায় না’। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বর্তমান সুসম্পর্ক নেই বললেই চলে। ইসরাইলকে যেমন তার প্রতিবেশী দেশগুলো শত্রুরাষ্ট্র মনে করে, ভারতের অবস্থাও আজ অনেকটাই তেমন। বর্তমানে, বাংলাদেশ থেকে হাজারো অপরাধী ও রাজনৈতিক নেতা ভারতে আশ্রয় নিয়ে নতুন সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

বাংলাদেশ অভিযোগ করে বলছে, ভারত অপরাধীদের দমন না করে উল্টো তাদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৫০ বছর আগের ইতিহাসের নতুন আবির্ভাব ঘটেছে বলে অনেকে মনে করছেন।

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: জিয়াউর রহমান থেকে ড. ইউনূস

ইতিহাসবিদ কার্ল মার্কস বলেছেন, ‘ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না’। ভারত এবং আওয়ামী লীগ নেতারাও যেন এই শিক্ষা নেননি। ১৯৭৭ সালে যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারকে উৎখাতের লক্ষ্যে ভারতের আশ্রয়ে আবদুল কাদের সিদ্দিকীসহ অন্যরা অপতৎপরতা চালিয়েছিল, তখন ভারতের কংগ্রেস সরকারের পরিবর্তন হলে নতুন সরকার তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে। বর্তমানে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে গেছেন। তারা এখন সেখানে রীতিমতো ‘আওয়ামী লীগ অফিস’ খুলে ড. ইউনূস সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছেন। কিন্তু মোদি সরকার এসব আওয়ামী সন্ত্রাসীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অবমূল্যায়ন করছে। বাংলাদেশ কূটনৈতিক চ্যানেলে এই তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানালেও ভারত এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো খুনের দায়ে অভিযুক্ত হাসিনা গংদের বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের কথা অস্বীকার করেছে দিল্লি।

ভারতের দ্বিমুখী নীতি: উলফা থেকে আওয়ামী লীগ

একসময় ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসামের ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসামের (উলফা) নেতা অনুপ চেটিয়াদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলত। অথচ প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ যথাযথ দায়িত্ব পালন করে উলফার নেতাদের আশ্রয় না দিয়ে ১৯৯৭ সালে তাদের গ্রেফতার করে। ২০১৫ সালে উলফার চেয়ারম্যান অরবিন্দ রাজখোয়াসহ অন্যান্য নেতাদের ভারতের হাতে তুলে দেয় বাংলাদেশ।

প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এমন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলেও, বর্তমান হিন্দুত্ববাদী ভারত শত শত খুনের হাজারো আসামিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করার সুযোগ করে দিচ্ছে। এসব খুনি-সন্ত্রাসীরা ভারতে বসে অবাধে চলাফেরা করছে, যা ওপেন-সিক্রেট। ভারতের গণমাধ্যমগুলো নিয়মিতভাবে পলাতক নেতাদের অবস্থানের খবর প্রচার করছে।

দিল্লিতে আওয়ামী লীগ অফিস এবং বাংলাদেশের প্রতিবাদ

গত ২১ জুলাই বাংলাদেশের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা দিল্লির প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে, যেখানে তারা সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার কথা জানায়। যদিও দিল্লি প্রশাসন শেষ মুহূর্তে ওই সংবাদ সম্মেলন করতে দেয়নি, তবুও পলাতক নেতারা বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে তাদের বক্তব্য প্রকাশ করছেন।

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ আরাফাতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনাসহ প্রায় ১ হাজার ৩০০ সাবেক মন্ত্রী-এমপি এবং বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেও জানা গেছে, কলকাতার নিউ টাউনে এসব নেতারা বসবাস করছেন। সেখানে তারা একটি বাণিজ্যিক ভবনে পার্টি অফিস খুলে নিয়মিত বৈঠক করছেন এবং সেখান থেকে দেশের ভেতর সন্ত্রাস, খুন ও অগ্নিসংযোগের নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে অবিলম্বে এই ধরনের কার্যকলাপ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। ২০ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, “নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পলাতক নেতাকর্মীদের মাধ্যমে ভারতের মাটিতে যেকোনো ধরনের বাংলাদেশবিরোধী রাজনৈতিক কার্যকলাপ বাংলাদেশের জনগণ ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ। আমরা আশা করি, ভারত সরকার এ বিষয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং তাদের অফিস বন্ধ করে দেবে।”

পুশব্যাক ও তিস্তা প্রকল্প: ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বর্তমানে ভারত একদিকে নিচু আয়ের বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে ‘বাংলাদেশি তকমা’ দিয়ে সীমান্তে পুশব্যাক করছে, অন্যদিকে ইন্টারপোলের রেড-অ্যালার্ট থাকা অপরাধী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাচ্ছে না। মানবতাবিরোধী অপরাধসহ হাজারো মানুষ হত্যার দায়ে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলছে। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে ফেরত পাঠাতে ভারতের কাছে চিঠি দিলেও তার কোনো জবাব আসেনি।

এমতাবস্থায়, চীনের অর্থায়নে তিস্তা মহাপ্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্পটি চীনের জন্য বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করবে, যা ভৌগোলিকভাবে ভারতের ‘চিকেন নেক’ (শিলিগুড়ি করিডোর)-এর জন্য হুমকি হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, ভারত আরও আগ্রাসী হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা।