ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে সামরিক ঘাঁটি ভারতের, বড় সতর্কবার্তা পেল বাংলাদেশ

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 459

২০২৪ সালের ৫ আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই সীমান্ত এলাকায় সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে ভারত। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলায় একটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি, আসামের ধুবরিতেও নতুন একটি সেনা স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ডেকান ক্রনিকেল’ তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। বন্যা, সীমান্ত হত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ এবং ভিসা জটিলতাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক খুব একটা স্বস্তির জায়গায় নেই।

নতুন ঘাঁটির অবস্থান ও প্রস্তুতির বার্তা

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের তৎপরতায় এই নতুন সামরিক অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে:

উত্তর দিনাজপুরের ঘাঁটি: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় বাংলাদেশ সীমান্তের পাশেই নবনির্মিত ঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি।

ব্রহ্মাস্ত্র কর্পসের মোতায়েন: ইস্টার্ন কমান্ডের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এর পোস্ট অনুসারে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিওয়ারি চোপড়া ডিফেন্স ল্যান্ডে ব্রহ্মাস্ত্র কর্পসের মোতায়েনরত সৈন্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সতর্কবার্তা: তিনি সৈন্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখতে এবং ‘সব ধরনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয়’ থাকার আহ্বান জানান।

আসামে নতুন সেনা স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর

লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিওয়ারি এর আগে আসামের সীমান্ত এলাকায় ৪ (গজরাজ) কর্পস সদর দফতর পরিদর্শন করেন এবং ধুবরির বামুনিগাঁও এলাকায় লাচিত বরফুকন সামরিক স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

উদ্দেশ্য: ইস্টার্ন কমান্ড জানিয়েছে, “নতুন এই সামরিক স্টেশন অঞ্চলটির সেনা সক্ষমতা ও অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।” তাদের দাবি, এটি ‘পুনরুত্থিত আসামের ঐতিহ্যকে সংজ্ঞায়িত করে’।

চলমান টানাপোড়েন

শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নানামুখী টানাপোড়েন দৃশ্যমান। এই সময়ে বন্যা, সীমান্ত হত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতন, এবং ভিসা সীমিত করে পরবর্তীতে চালু করার মতো বিষয়গুলো দুই দেশের সম্পর্কে অস্বস্তি বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে ভারতের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সীমান্তে সামরিক ঘাঁটি ভারতের, বড় সতর্কবার্তা পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

২০২৪ সালের ৫ আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই সীমান্ত এলাকায় সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে ভারত। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলায় একটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি, আসামের ধুবরিতেও নতুন একটি সেনা স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ডেকান ক্রনিকেল’ তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। বন্যা, সীমান্ত হত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ এবং ভিসা জটিলতাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক খুব একটা স্বস্তির জায়গায় নেই।

নতুন ঘাঁটির অবস্থান ও প্রস্তুতির বার্তা

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের তৎপরতায় এই নতুন সামরিক অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে:

উত্তর দিনাজপুরের ঘাঁটি: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় বাংলাদেশ সীমান্তের পাশেই নবনির্মিত ঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি।

ব্রহ্মাস্ত্র কর্পসের মোতায়েন: ইস্টার্ন কমান্ডের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এর পোস্ট অনুসারে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিওয়ারি চোপড়া ডিফেন্স ল্যান্ডে ব্রহ্মাস্ত্র কর্পসের মোতায়েনরত সৈন্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সতর্কবার্তা: তিনি সৈন্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখতে এবং ‘সব ধরনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয়’ থাকার আহ্বান জানান।

আসামে নতুন সেনা স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর

লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিওয়ারি এর আগে আসামের সীমান্ত এলাকায় ৪ (গজরাজ) কর্পস সদর দফতর পরিদর্শন করেন এবং ধুবরির বামুনিগাঁও এলাকায় লাচিত বরফুকন সামরিক স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

উদ্দেশ্য: ইস্টার্ন কমান্ড জানিয়েছে, “নতুন এই সামরিক স্টেশন অঞ্চলটির সেনা সক্ষমতা ও অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।” তাদের দাবি, এটি ‘পুনরুত্থিত আসামের ঐতিহ্যকে সংজ্ঞায়িত করে’।

চলমান টানাপোড়েন

শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নানামুখী টানাপোড়েন দৃশ্যমান। এই সময়ে বন্যা, সীমান্ত হত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতন, এবং ভিসা সীমিত করে পরবর্তীতে চালু করার মতো বিষয়গুলো দুই দেশের সম্পর্কে অস্বস্তি বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে ভারতের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।