ড. ইউনূসের বার্তা: ‘স্বৈরাচারী পতন হবে দ্রুত, ১৬ বছর অপেক্ষার দিন শেষ
- আপডেট সময় : ০৫:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
- / 382
স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে যেন আর ১৬ বছর অপেক্ষা করতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ মঙ্গলবার (১ জুলাই, ২০২৫) জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “স্বৈরাচার পতনে যাতে ১৬ বছর অপেক্ষা করতে না হয়, সেই কাজ আমরা করছি। আশা করি, আগামী দিনে কেউ স্বৈরাচার হতে চাইলে জনগণ সঙ্গে সঙ্গে তাদের পতন ঘটাবে। কারণ, জনগণ রাস্তায় নামলে কোনো শক্তি থামাতে পারে না।” তার এই বক্তব্য জনগণের ক্ষমতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধের গুরুত্বকে তুলে ধরেছে।
‘জুলাই স্মৃতি উদযাপন’ অনুষ্ঠানমালা ঘোষণা
এর আগে, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় ‘জুলাই স্মৃতি উদযাপন’ অনুষ্ঠানমালা ঘোষণা করা হয়। ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত এই মাসব্যাপী কর্মসূচি চলবে। এই উদযাপনের মাধ্যমে গত জুলাই মাসের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান এবং শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা হবে।
মাসব্যাপী কর্মসূচির বিস্তারিত
ঘোষিত অনুষ্ঠানমালা অনুযায়ী, উদ্বোধনী দিন, অর্থাৎ আজ মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়েছে। একই দিনে জুলাই ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের খুনিদের বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছে, যা আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এছাড়াও, আজ জুলাই শহীদদের স্মরণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি চালু করা হবে।
মাসব্যাপী এই কর্মসূচির শেষ দিন, অর্থাৎ ৫ আগস্ট (যা অনুষ্ঠানমালায় ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে চিহ্নিত) বিশেষ আয়োজন থাকছে। এই দিনে ৩৬ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ারিং, ৩৬ জেলার কেন্দ্রে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, মানিক মিয়া এভিনিউ অভিমুখে বিজয় মিছিল, এয়ার শো, গানের অনুষ্ঠান, ‘৩৬ ডেস অব জুলাই’ সহ জুলাইয়ের অন্যান্য ডকুমেন্টারি প্রদর্শন এবং ড্রোন শো-এর আয়োজন করা হয়েছে।
এই বিস্তৃত কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে সজীব রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর তাৎপর্য তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর।


























