প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার ‘এপিএস’ হলেন ফরিদপুরের মীর সোলাইমান
- আপডেট সময় : ১১:০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 773
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের উপদেষ্টা (পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তরুণ সংগঠক মীর সোলাইমান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মু. তানভীর হাসান রুমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর ৯ম গ্রেডে তাকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা যতদিন এই পদে থাকবেন অথবা মীর সোলাইমানকে এই পদে রাখার অভিপ্রায় পোষণ করবেন, ততদিন এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে।
উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন
উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সাবেক সচিব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ফরিদপুরের সাবেক এই জেলা প্রশাসক ২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। এছাড়া তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে সচিব হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রভাবশালী সদস্য এবং দলের ‘৩১ দফা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
কে এই মীর সোলাইমান?
নবনিয়োগপ্রাপ্ত এপিএস মীর সোলাইমান দীর্ঘদিন ধরে ইসমাইল জবিউল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিএনপির গবেষণা সেল ‘জি-জাইর’ (বিএনআরসি)-র একজন গবেষণা সহযোগী। ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার লোহারটেক গ্রামের মীর সোহরাব আলী ও হাজেরা বেগম দম্পতির এই সন্তান শিক্ষাজীবনে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি বেশ সক্রিয়। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় যোগাযোগ উপকমিটির সদস্য হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফরিদপুরে আনন্দের জোয়ার
একজন মেধাবী ও তরুণ সংগঠক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার এপিএস হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় ফরিদপুরসহ বিভিন্ন মহলে আনন্দের জোয়ার বইছে। বিশেষ করে সদরপুর উপজেলার বাসিন্দারা তাকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করছেন। স্থানীয়দের মতে, এই নিয়োগের মাধ্যমে ফরিদপুরের উন্নয়নের দাবিগুলো সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছানো আরও সহজ হবে।


























