ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ আইন সংস্কার: ফরিদপুরে ১০ দফা দাবিতে র‍্যালি ও সমাবেশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / 144

ধর্ষণ আইন সংস্কার জোটের উদ্যোগে ফরিদপুরে ধর্ষণ অপরাধের ভুক্তভোগী ব্যক্তির ন্যায়বিচার নিশ্চিতে ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি শিপ্রা রায়ের সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

 র‍্যালির পথ ও অংশগ্রহণকারী:

একটি সচেতনতা র‍্যালি ফরিদপুর শহরস্থ কোটপার হতে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ঝিলটুলিস্থ দেল পিয়েতো রেস্টুরেন্টে এসে শেষ হয়। র‍্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডিউবি সিকদার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সম্পাদক রুবিয়া মিল্লাত, ব্লাস্ট ফরিদপুর ইউনিটের সদস্য দেলোয়ার হোসেন, ব্লাস্ট ফরিদপুরের সদস্য অর্চনা দাস, নন্দিতা সুরক্ষার সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌসী ও শিপ্রা গোস্বামীসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

 বক্তাদের দাবি ও প্রস্তাবনা:

বক্তারা বলেন, ধর্ষণ অপরাধ প্রতিরোধে ও ভুক্তভোগী ব্যক্তির ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতা সমূহকে চিহ্নিত করে সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবনা সমূহ প্রণয়ন করতে হবে। ধর্ষণ অপরাধে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধের মাত্রা অনুসারে আনুপাতিক হারে শাস্তি নির্ধারণ করতে এবং সাজা প্রদানের নির্দেশিকা প্রবর্তন করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যক্রমে সম্মতির ধারণা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিচার ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। ধর্ষণ অপরাধে ভুক্তভোগী ব্যক্তির জন্য রাষ্ট্র পরিচালিত ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করতে হবে।

সংগঠনটির ১০ দফা দাবি:

  • মানবাধিকার মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ধর্ষণ আইনের সংস্কার।
  • ধর্ষণের সংজ্ঞাকে বিস্তৃত করে তা বৈষম্যহীন করা।
  • ধর্ষণের আইনে পেনিট্রেশনকে সংজ্ঞায়িত করা।
  • ধর্ষণ অপরাধে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
  • ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা।
  • উচ্চ আদালতের রায় এবং সংশোধিত আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করা।
  • বিচার ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সংবেদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যক্রমে সম্মতি সম্পর্কিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা।
  • শাস্তির আনুপাতিক হার প্রদান করা এবং সাজা প্রদানের নির্দেশিকা প্রবর্তন করা।
  • ধর্ষণ অপরাধে ভুক্তভোগী ব্যক্তির জন্য রাষ্ট্র পরিচালিত একটি ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করা।

ধর্ষণ আইন সংস্কার: ফরিদপুরে ১০ দফা দাবিতে র‍্যালি ও সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

ধর্ষণ আইন সংস্কার জোটের উদ্যোগে ফরিদপুরে ধর্ষণ অপরাধের ভুক্তভোগী ব্যক্তির ন্যায়বিচার নিশ্চিতে ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি শিপ্রা রায়ের সভাপতিত্বে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

 র‍্যালির পথ ও অংশগ্রহণকারী:

একটি সচেতনতা র‍্যালি ফরিদপুর শহরস্থ কোটপার হতে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ঝিলটুলিস্থ দেল পিয়েতো রেস্টুরেন্টে এসে শেষ হয়। র‍্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডিউবি সিকদার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সম্পাদক রুবিয়া মিল্লাত, ব্লাস্ট ফরিদপুর ইউনিটের সদস্য দেলোয়ার হোসেন, ব্লাস্ট ফরিদপুরের সদস্য অর্চনা দাস, নন্দিতা সুরক্ষার সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌসী ও শিপ্রা গোস্বামীসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

 বক্তাদের দাবি ও প্রস্তাবনা:

বক্তারা বলেন, ধর্ষণ অপরাধ প্রতিরোধে ও ভুক্তভোগী ব্যক্তির ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতা সমূহকে চিহ্নিত করে সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবনা সমূহ প্রণয়ন করতে হবে। ধর্ষণ অপরাধে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধের মাত্রা অনুসারে আনুপাতিক হারে শাস্তি নির্ধারণ করতে এবং সাজা প্রদানের নির্দেশিকা প্রবর্তন করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যক্রমে সম্মতির ধারণা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিচার ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। ধর্ষণ অপরাধে ভুক্তভোগী ব্যক্তির জন্য রাষ্ট্র পরিচালিত ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করতে হবে।

সংগঠনটির ১০ দফা দাবি:

  • মানবাধিকার মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ধর্ষণ আইনের সংস্কার।
  • ধর্ষণের সংজ্ঞাকে বিস্তৃত করে তা বৈষম্যহীন করা।
  • ধর্ষণের আইনে পেনিট্রেশনকে সংজ্ঞায়িত করা।
  • ধর্ষণ অপরাধে ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
  • ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা।
  • উচ্চ আদালতের রায় এবং সংশোধিত আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করা।
  • বিচার ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সংবেদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যক্রমে সম্মতি সম্পর্কিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা।
  • শাস্তির আনুপাতিক হার প্রদান করা এবং সাজা প্রদানের নির্দেশিকা প্রবর্তন করা।
  • ধর্ষণ অপরাধে ভুক্তভোগী ব্যক্তির জন্য রাষ্ট্র পরিচালিত একটি ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করা।