ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুদানে নামাজের সময় মসজিদে ড্রোন হামলা, নিহত ৭৮

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 228

সুদানের দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশির শহরে একটি মসজিদে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। শুক্রবার ভোরে ফজরের নামাজের সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

ভয়াবহতা: বেসামরিকরা আরএসএফের রোষানলে

গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। আল-ফাশির শহরটি দারফুরে সেনাবাহিনীর সর্বশেষ ঘাঁটি। এটিকে দখলে নিতে আরএসএফ ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে, যার ফলে শহরের তিন লাখেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক এই যুদ্ধের ফাঁদে আটকা পড়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন এবং ইয়েল ইউনিভার্সিটির হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাবের (এইচআরএল) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই সপ্তাহে নতুন করে আরএসএফ আল-ফাশির শহরে হামলা শুরু করেছে এবং শহরের বাইরে অবস্থিত বাস্তুচ্যুতদের একটি বিশাল শিবির এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। সুদানের বিশ্লেষক ও অধিকারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, সাধারণ নাগরিকরা আরএসএফের জাতিগত রোষের শিকার হতে পারেন।

জাতিগত নিধনের অভিযোগ

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সুদানের এই গৃহযুদ্ধ ক্রমেই একটি জাতিগত সংঘাতে রূপ নিচ্ছে। জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার নথিতে দেখা গেছে, দখল করা এলাকায় আরএসএফ অ-আরব সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূলনীতি চালাচ্ছে। ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের মতে, গোষ্ঠীটি প্রকাশ্যেই আল-ফাশিরকে অ-আরব জনগোষ্ঠীমুক্ত করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে।

অবশ্য, আরএসএফ বরাবরই এই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, তারা কোনো জাতিগত সংঘাতে জড়িত নয়।

সুদানে নামাজের সময় মসজিদে ড্রোন হামলা, নিহত ৭৮

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সুদানের দারফুর অঞ্চলের এল-ফাশির শহরে একটি মসজিদে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। শুক্রবার ভোরে ফজরের নামাজের সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

ভয়াবহতা: বেসামরিকরা আরএসএফের রোষানলে

গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। আল-ফাশির শহরটি দারফুরে সেনাবাহিনীর সর্বশেষ ঘাঁটি। এটিকে দখলে নিতে আরএসএফ ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে, যার ফলে শহরের তিন লাখেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক এই যুদ্ধের ফাঁদে আটকা পড়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদন এবং ইয়েল ইউনিভার্সিটির হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাবের (এইচআরএল) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই সপ্তাহে নতুন করে আরএসএফ আল-ফাশির শহরে হামলা শুরু করেছে এবং শহরের বাইরে অবস্থিত বাস্তুচ্যুতদের একটি বিশাল শিবির এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। সুদানের বিশ্লেষক ও অধিকারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, সাধারণ নাগরিকরা আরএসএফের জাতিগত রোষের শিকার হতে পারেন।

জাতিগত নিধনের অভিযোগ

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সুদানের এই গৃহযুদ্ধ ক্রমেই একটি জাতিগত সংঘাতে রূপ নিচ্ছে। জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থার নথিতে দেখা গেছে, দখল করা এলাকায় আরএসএফ অ-আরব সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূলনীতি চালাচ্ছে। ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের মতে, গোষ্ঠীটি প্রকাশ্যেই আল-ফাশিরকে অ-আরব জনগোষ্ঠীমুক্ত করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে।

অবশ্য, আরএসএফ বরাবরই এই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, তারা কোনো জাতিগত সংঘাতে জড়িত নয়।