ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুর: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 759

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৪ বছর বয়সী এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার ফরিদপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে সজীব (২০) নামের এক বখাটে যুবক।

ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে।

ঘটনার বিবরণ ও অভিযুক্তের পরিচয়

ভুক্তভোগী কিশোরী মধুখালী পৌরসভার বনমালদিয়া এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত ধর্ষক সজীব মোল্লা (২০) মধুখালী উপজেলার মেছড়দিয়া গ্রামের শাহিন মোল্লার ছেলে।

ধর্ষণের কৌশল: পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, সজীব মোল্লা মেয়েটিকে পার্কে যাওয়ার কথা বলে বুধবার সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুর লোহার ব্রিজের পাশে একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে সে কিশোরীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে।

শারীরিক অবস্থার অবনতি: ধর্ষণের পর বিকেল ৫টায় সজীব মেয়েটিকে মধুখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি অটোরিকশায় উঠিয়ে দেয়। বাসায় ফেরার পর মেয়েটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পিতার আকুতি ও পুলিশের তৎপরতা

ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার এই নির্মম ঘটনার বিচার দাবি করেছে।

পিতার বক্তব্য: কিশোরীর পিতা, যিনি একটি জুট মিলে কাজ করেন, তিনি জানান যে মাত্র দুই মাস আগেই তাঁর স্ত্রী মারা গেছেন। মা হারা মেয়েটির সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটানোয় তিনি এর কঠোর বিচার চান।

পুলিশের ভূমিকা: ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, “এ ঘটনায় ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পুলিশ কাজ করছে।”

ফরিদপুর: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৭:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৪ বছর বয়সী এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার ফরিদপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে সজীব (২০) নামের এক বখাটে যুবক।

ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে।

ঘটনার বিবরণ ও অভিযুক্তের পরিচয়

ভুক্তভোগী কিশোরী মধুখালী পৌরসভার বনমালদিয়া এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত ধর্ষক সজীব মোল্লা (২০) মধুখালী উপজেলার মেছড়দিয়া গ্রামের শাহিন মোল্লার ছেলে।

ধর্ষণের কৌশল: পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, সজীব মোল্লা মেয়েটিকে পার্কে যাওয়ার কথা বলে বুধবার সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুর লোহার ব্রিজের পাশে একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে সে কিশোরীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে।

শারীরিক অবস্থার অবনতি: ধর্ষণের পর বিকেল ৫টায় সজীব মেয়েটিকে মধুখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি অটোরিকশায় উঠিয়ে দেয়। বাসায় ফেরার পর মেয়েটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পিতার আকুতি ও পুলিশের তৎপরতা

ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার এই নির্মম ঘটনার বিচার দাবি করেছে।

পিতার বক্তব্য: কিশোরীর পিতা, যিনি একটি জুট মিলে কাজ করেন, তিনি জানান যে মাত্র দুই মাস আগেই তাঁর স্ত্রী মারা গেছেন। মা হারা মেয়েটির সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটানোয় তিনি এর কঠোর বিচার চান।

পুলিশের ভূমিকা: ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী কিশোরী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, “এ ঘটনায় ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পুলিশ কাজ করছে।”