ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪০ মামলার ‘পাহাড়’ টপকে নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী বাবুল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 563

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসন থেকে ধানের শীষের লড়াইয়ে নামছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বাংলাদেশ কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তাঁর হলফনামা থেকে উঠে এসেছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, বিপুল সম্পদ ও আইনি লড়াইয়ের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

৪০ মামলা থেকে মুক্তি:

হলফনামার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে থাকা মামলার সংখ্যা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিচারাধীন মামলা নেই। হলফনামা অনুযায়ী, তিনি সবকটি মামলা থেকেই আইনগতভাবে খালাস পেয়েছেন, যা নির্বাচনী মাঠে তাঁকে এক ধাপ এগিয়ে রাখছে।

ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত প্রোফাইল:

স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শহিদুল ইসলাম বাবুল পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি ‘মানিপ্লান্ট লিংক প্রা: লিমিটেড’ ও ‘ইউনিসার্ভিস’ নামক দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাঁর স্ত্রী নাজনীন রীনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

আয় ও সম্পদের পাহাড়:

হলফনামা অনুযায়ী, বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৪ টাকা। তাঁর নিজের নামে ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাণিজ্যিক যানবাহন (বাস-ট্রাক) রয়েছে। নিজের স্বর্ণালংকার না থাকলেও তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ২১ ভরি স্বর্ণ।

সম্পদের দিক থেকে বাবুলের চেয়ে তাঁর স্ত্রী নাজনীন রীনা বেশ সমৃদ্ধ। তাঁর স্ত্রীর নগদ ও ব্যাংকে জমানো টাকার পরিমাণ ২৯ লাখ টাকার বেশি। এছাড়া সঞ্চয়পত্র ও ফিক্সড ডিপোজিটে তাঁর স্ত্রীর বিনিয়োগ রয়েছে আরও ৩২ লাখ টাকা।

রাজনৈতিক লড়াই:

ফরিদপুরের সন্তান হিসেবে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাবুলের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ায় কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলের চাষীদের অধিকার রক্ষায় তাঁর ভূমিকা তাকে আলোচনায় রেখেছে। ফরিদপুর-৪ আসনের ভোটারদের কাছে এবার উন্নয়নের পাশাপাশি ন্যায়বিচার ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।

৪০ মামলার ‘পাহাড়’ টপকে নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী বাবুল

আপডেট সময় : ০১:১৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসন থেকে ধানের শীষের লড়াইয়ে নামছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বাংলাদেশ কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তাঁর হলফনামা থেকে উঠে এসেছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, বিপুল সম্পদ ও আইনি লড়াইয়ের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

৪০ মামলা থেকে মুক্তি:

হলফনামার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে থাকা মামলার সংখ্যা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিচারাধীন মামলা নেই। হলফনামা অনুযায়ী, তিনি সবকটি মামলা থেকেই আইনগতভাবে খালাস পেয়েছেন, যা নির্বাচনী মাঠে তাঁকে এক ধাপ এগিয়ে রাখছে।

ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত প্রোফাইল:

স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শহিদুল ইসলাম বাবুল পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি ‘মানিপ্লান্ট লিংক প্রা: লিমিটেড’ ও ‘ইউনিসার্ভিস’ নামক দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাঁর স্ত্রী নাজনীন রীনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

আয় ও সম্পদের পাহাড়:

হলফনামা অনুযায়ী, বাবুলের বার্ষিক আয় ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ৭৯৪ টাকা। তাঁর নিজের নামে ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাণিজ্যিক যানবাহন (বাস-ট্রাক) রয়েছে। নিজের স্বর্ণালংকার না থাকলেও তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ২১ ভরি স্বর্ণ।

সম্পদের দিক থেকে বাবুলের চেয়ে তাঁর স্ত্রী নাজনীন রীনা বেশ সমৃদ্ধ। তাঁর স্ত্রীর নগদ ও ব্যাংকে জমানো টাকার পরিমাণ ২৯ লাখ টাকার বেশি। এছাড়া সঞ্চয়পত্র ও ফিক্সড ডিপোজিটে তাঁর স্ত্রীর বিনিয়োগ রয়েছে আরও ৩২ লাখ টাকা।

রাজনৈতিক লড়াই:

ফরিদপুরের সন্তান হিসেবে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাবুলের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ায় কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলের চাষীদের অধিকার রক্ষায় তাঁর ভূমিকা তাকে আলোচনায় রেখেছে। ফরিদপুর-৪ আসনের ভোটারদের কাছে এবার উন্নয়নের পাশাপাশি ন্যায়বিচার ও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।