স্টপেজের দাবিতে ট্রেন থামিয়ে দিল ফরিদপুরবাসী

- আপডেট সময় : ০১:২০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪
- / 202
রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘চন্দনা কমিউটার ট্রেনের’ ফরিদপুর রেলস্টেশনে স্টপেজ দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এ সময় রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটির গতিরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
ভোর সাড়ে ৫টায় স্টপেজের দাবিতে ফরিদপুর স্টেশনে মানববন্ধন করেন ফরিদপুরবাসী। মানববন্ধন চলাকালীন ভোর ৫টা ৩৮ মিনিটে স্টেশনে এসে পৌঁছায় ট্রেনটি। এ সময় মানববন্ধনকারীরা রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে সেখানে বসে পড়লে ট্রেনটি থামাতে বাধ্য হন চালক। এর আগে ভোর ৫টায় রাজবাড়ী থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশে ছেড়ে আসে চন্দনা কমিউটারের ওই ট্রেন।
রোববার (৫ মে) ভোর ৫টা ১৫ মিনিট থেকে ফরিদপুর রেলস্টেশনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ফরিদপুর এসে পৌঁছালে বিক্ষুব্ধরা চন্দনা কমিউটার ট্রেনটির সামনে অবস্থান নেন এবং গতিরোধ করেন। এ সময় তারা ফুল দিয়ে ট্রেনের পরিচালকসহ অন্যদের শুভেচ্ছাও জানান।
ক্ষোভ প্রকাশ করে সেলিম মিয়া নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমাদের দুঃখ হয় যে একটি ট্রেন রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে অফিস টাইম মেইনটেইন করে ফরিদপুরের ওপর দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ফরিদপুরবাসী কোনো উপকৃত হচ্ছে না, এটা মেনে নেওয়া যায় না। ট্রেনটি ফরিদপুর স্টেশনে থামলে এখানকার মানুষ ঢাকায় গিয়ে অফিস করতে পারবে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত কাজকর্ম শেষ করে আবার ফরিদপুরে ফিরে আসতে পারবে।’
স্টপেজের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আগামীকাল থেকেই ফরিদপুরে স্টপেজ চাই। প্রাচীন এই জেলায় স্টপেজ থাকবে, এটা আমাদের প্রাণের দাবি। ফরিদপুরের ওপর দিয়ে যে ট্রেনই যাবে, তার স্টপেজ থাকতে হবে।’
এ সময় ‘এক দফা এক দাবি, ফরিদপুরে স্টপেজ চাই, দিতে হবে দিতে হবে’ স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধরা। একপর্যায়ে ট্রেন থেকে নেমে আসেন বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন পরিচালক মো. মহিবুল ইসলাম। এ সময় তিনি এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন এবং স্টপেজের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, আগামীকাল থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে রাজবাড়ী-ভাঙ্গা-ঢাকা পথে রোববার থেকে বাণিজ্যিকভাবে নতুন করে এক জোড়া কমিউটার ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। শনিবার ট্রেনটির উদ্বোধন করা হয়।
মাঝপথে ফরিদপুর রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি না থাকায় এ নিয়ে ফরিদপুরের রেলযাত্রীদের মাঝে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য রেলমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।



















