মেয়ের জায়গায় দেখো মোঃ আবুল কাসেম
জন্ম নিয়ে বাবা মায়ের কোলে যখন আসে, পরিবারের সবাই তখন সুখ সাগরে ভাসে। যতন করে বড়ো করেন অমূল্য সেই কন্যা,
অচেনা আপন মানুষ স্রোতস্বিনী শ্রেয়সী
জীবনটা যদি একটু ভিন্ন হতো; তাহলে কিছু মানুষ অপরিচিত রইতো! এমনটাই হয় হুট করে দেখা, কথা, তারপর ভালো লাগা সন্ধ্যার
আমি জন্মেছি আজ আশরাফুন নাহার লিউজা
আজকে ভোরের আলোর সাথে প্রস্ফূটিত প্রেমের পথে আমি জন্মেছি আজ। কাঠের চিরুনি ববি পিন বাদামী চুলের ঢেউয়ে আমি জন্মেছি আজ।
হতাশাগ্রস্থ প্রদীপ বাগ
দিনের শেষে দৃশ্যমান নিত্য সূর্য ডোবার পালা, হামাগুড়ি দিয়ে ক্রমশ ছেয়ে যায় নিকষ অন্ধকার। কর্মব্যস্ত জীবন ঢুলুঢুলু চোখে হাতড়ায় আলোর
শ্বেত পায়রা কাবেরী আকতার
একদিন পাহাড় চূড়ায় বসে একটা কবিতা লিখছিলাম। কবিতার বিষয় বস্তু খুঁজে পাচ্ছিলাম না, দাঁতে কলম কামড়ে ধরে ভাবছিলাম, ভালোবাসা নিয়ে
মা নাদিয়া নওশাদ
মা,কি করে শোধ করব তোমার ঋণ? তুমি যে আমায় তোমার গর্ভে ধারণ করেছিলে দশমাস, দশদিন। এখনও মনে পড়ে তোমার কাছে
সিজার আতিকুর রহমান
ভয় দেখিয়ে পেট চিরে যার আনলে টাকা ঘরে সেই মানুষটা কষ্টে ভোগে জনম জনম ধরে। টাকার লোভে বিবেক টাকে বন্ধকরে
সুখের পরশে যেন হারিয়ে গিয়েছি মো. তাজুল ইসালাম সোহাগ
সুখের পরশে যেন, হারিয়ে গিয়েছি মনের দামেতে মন, কিনেতো নিয়েছি সারাটা জীবন যদি, পাশে না পাও তবে কেন এভাবে, মায়াতে
মা ফাহমিদা কামাল লিনু
কি খুজছো? মসজিদ মন্দির গীর্জায় ভক্তি প্রার্থনা সিজদায়, ভাবছো কোথাও না কোথাও পাওয়া যাবে। হয়তো লুকায়িত মৃত্তিকার অতলে অথবা দিগন্তের
হেমন্ত নাদিয়া নওশাদ
“সময়টা এখন হেমন্ত, প্রকৃতিও অনেকটা শান্ত। গাছপাতায় বাগানবিলাস, পেঁজা তুলোর মত মেঘময় নীল আকাশ। চারিদিকে বইছে হিমেল বাতাস। কাশফুল জুড়ে


















