ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে পর্নোচক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার, প্রবাসীর স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইলে হাতিয়ে নেয় ১২ লাখ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • / 1578

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজি মামলার প্রধান অভিযুক্ত বদিউল আলম তুহিন সরকারকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বোয়ালমারী থানা পুলিশ। বিদেশপ্রবাসী এক নারীর ব্যক্তিগত ভিডিও এডিট করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) গভীর রাতে কুমিল্লা সদর থানার হাউজিং এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বদিউল আলম তুহিন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘোড়াশাল গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বোয়ালমারীর গুনবহা ইউনিয়নের ওই প্রবাসীর স্ত্রীর ব্যক্তিগত ভিডিও পারিবারিকভাবে পরিচিত তানিয়া খানম নামে এক নারী সংগ্রহ করে। এরপর ভিডিওটি সুপার এডিট করে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করে আসছিল। ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আদায়কৃত টাকার পরিমাণ ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

ঘটনার পর ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী নারী বোয়ালমারী থানায় ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন (মামলা নং: ৯)। অভিযুক্ত অন্য সদস্যরা হলেন: গুনবহা ইউনিয়নের হরিহরনগরের সেলিম খান ওরফে সুমন শিকদার ও তার স্ত্রী ফারজানা বেগম, নয়নীপাড়ার মুজাহিদ, কাশিয়ানীর তানিয়া খানম ও আলফাডাঙ্গার কাকলী বেগম।

এসআই শামীম দেওয়ান জানান, “দীর্ঘ ছয় মাস ধরে প্রযুক্তিগত নজরদারি চালিয়ে অবশেষে মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।” এর আগেই মামলার অন্য তিন আসামি কাকলী বেগম, তানিয়া খানম ও মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “প্রধান আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে।”

ফরিদপুরে পর্নোচক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার, প্রবাসীর স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইলে হাতিয়ে নেয় ১২ লাখ

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজি মামলার প্রধান অভিযুক্ত বদিউল আলম তুহিন সরকারকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বোয়ালমারী থানা পুলিশ। বিদেশপ্রবাসী এক নারীর ব্যক্তিগত ভিডিও এডিট করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) গভীর রাতে কুমিল্লা সদর থানার হাউজিং এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বদিউল আলম তুহিন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘোড়াশাল গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বোয়ালমারীর গুনবহা ইউনিয়নের ওই প্রবাসীর স্ত্রীর ব্যক্তিগত ভিডিও পারিবারিকভাবে পরিচিত তানিয়া খানম নামে এক নারী সংগ্রহ করে। এরপর ভিডিওটি সুপার এডিট করে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করে আসছিল। ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আদায়কৃত টাকার পরিমাণ ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

ঘটনার পর ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী নারী বোয়ালমারী থানায় ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন (মামলা নং: ৯)। অভিযুক্ত অন্য সদস্যরা হলেন: গুনবহা ইউনিয়নের হরিহরনগরের সেলিম খান ওরফে সুমন শিকদার ও তার স্ত্রী ফারজানা বেগম, নয়নীপাড়ার মুজাহিদ, কাশিয়ানীর তানিয়া খানম ও আলফাডাঙ্গার কাকলী বেগম।

এসআই শামীম দেওয়ান জানান, “দীর্ঘ ছয় মাস ধরে প্রযুক্তিগত নজরদারি চালিয়ে অবশেষে মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।” এর আগেই মামলার অন্য তিন আসামি কাকলী বেগম, তানিয়া খানম ও মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “প্রধান আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে।”