ফরিদপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ৬ মামলার আসামি গ্রেফতার

- আপডেট সময় : ০৫:০৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
- / 75
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় এক ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. সামাদ খান (৪১) নামে এক কুখ্যাত ও পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
গত শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মধুখালী উপজেলার মধুপুর এলাকায় এই বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
গোপন আস্তানায় র্যাবের হানা:
র্যাব-১০ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক অফিশিয়াল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার রাতে র্যাব-১০ এর সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল মধুখালী উপজেলার মধুপুর এলাকায় মাদক কেনাবেচার খবর পায়। তাৎক্ষণিক ওই এলাকায় বিশেষ ঘেরাও অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে মো. সামাদ খানকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেহ তল্লাশি করে আনুমানিক ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা বাজারমূল্যের মোট ১৮৫ পিস লালচে রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী সামাদ খান মধুখালী উপজেলার মধুপুর এলাকার মৃত আব্দুল মজিদ খানের ছেলে বলে নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সীমান্ত থেকে এনে জেলাজুড়ে সরবরাহ:
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত সামাদ খান স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে সুকৌশলে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ভয়ানক মাদকদ্রব্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করে আসছিল। পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সে মাদক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তা পাইকারি ও খুচরা সরবরাহ করত। র্যাবের অপরাধ রেকর্ড (Criminal Record) পর্যালোচনা করে জানা গেছে, সামাদ খানের বিরুদ্ধে মধুখালী থানাতেই ইতিপূর্বে দুটি মাদক মামলাসহ মোট ৬টি বিভিন্ন অপরাধের মামলা রয়েছে। সে একজন পেশাদার ও দাগি অপরাধী।
থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান:
র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মধুখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। একই সাথে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে র্যাব-১০ এর ফরিদপুর ক্যাম্পের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় তাঁদের এই বিশেষ কমান্ডো অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। মাদক, অবৈধ অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে র্যাব পিছপা হবে না।




















