ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একই ঘরে মিললো স্বামী-স্ত্রী ও মেয়ের লাশ

বিশেষ প্রতিবেদক ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 443

গাজীপুরের কাশিমপুরের একটি বাড়ি থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে গোবিন্দবাড়ি দেওয়ানপাড়া এলাকা থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের পরিচয় ও ঘটনাস্থল:

নিহতরা হলেন মো. নাজমুল ইসলাম (২৯), তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২২) ও তাদের চার বছর বয়সি মেয়ে নাদিয়া আক্তার। নাজমুল টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শুলপ্রতিমা গ্রামের মো. আবুর ছেলে। মহানগরীর গোবিন্দবাড়ী এলাকার শ্বশুর বাড়িতেই স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে থাকতেন নাজমুল।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ও পারিবারিক কলহ:

পুলিশের ধারণা, স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন নাজমুল। এমনকি তিনি মাদকও সেবন করতেন। জানা গেছে, অনেকদিন ধরেই নানা বিষয় নিয়ে তাদের পারিবারিক কলহ চলছিল। তাদের মধ্যে প্রায়শ ঝগড়া বিবাদ হতো। প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার রাত অনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তারা নিজ ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়েন। সকাল হলেও তারা ঘুম থেকে না উঠায় পরিবারের লোকজন তাদের ডাকাডাকি করতে থাকে। তাদের সাড়াশব্দ না পেয়ে স্বজনরা ঘরের পেছন দিকের জানালা দিয়ে নাজমুলের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে গিয়ে দেখেন খাদিজা ও নাদিয়ার নিথর দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন।

 পুলিশের পদক্ষেপ ও তদন্ত:

কাশিমপুর থানার এসআই লিটন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দুটি লাশ বিছানায় ও একজনের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাই। লাশগুলো উদ্ধার গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’ কাশিপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। সেখানে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।’

একই ঘরে মিললো স্বামী-স্ত্রী ও মেয়ের লাশ

আপডেট সময় : ১২:৫৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

গাজীপুরের কাশিমপুরের একটি বাড়ি থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে গোবিন্দবাড়ি দেওয়ানপাড়া এলাকা থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের পরিচয় ও ঘটনাস্থল:

নিহতরা হলেন মো. নাজমুল ইসলাম (২৯), তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২২) ও তাদের চার বছর বয়সি মেয়ে নাদিয়া আক্তার। নাজমুল টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শুলপ্রতিমা গ্রামের মো. আবুর ছেলে। মহানগরীর গোবিন্দবাড়ী এলাকার শ্বশুর বাড়িতেই স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে থাকতেন নাজমুল।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ও পারিবারিক কলহ:

পুলিশের ধারণা, স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন নাজমুল। এমনকি তিনি মাদকও সেবন করতেন। জানা গেছে, অনেকদিন ধরেই নানা বিষয় নিয়ে তাদের পারিবারিক কলহ চলছিল। তাদের মধ্যে প্রায়শ ঝগড়া বিবাদ হতো। প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার রাত অনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তারা নিজ ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়েন। সকাল হলেও তারা ঘুম থেকে না উঠায় পরিবারের লোকজন তাদের ডাকাডাকি করতে থাকে। তাদের সাড়াশব্দ না পেয়ে স্বজনরা ঘরের পেছন দিকের জানালা দিয়ে নাজমুলের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে গিয়ে দেখেন খাদিজা ও নাদিয়ার নিথর দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন।

 পুলিশের পদক্ষেপ ও তদন্ত:

কাশিমপুর থানার এসআই লিটন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দুটি লাশ বিছানায় ও একজনের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাই। লাশগুলো উদ্ধার গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’ কাশিপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। সেখানে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।’