ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যের সাথে ফরিদপুরের ১৩টি গ্রামে একদিন আগেই ঈদ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫
  • / 343

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার প্রায় ১৩টি গ্রামের মানুষজন আগামীকাল রোববার (৩০ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালনের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে এই গ্রামগুলোতে।

 সৌদি আরবে চাঁদ দেখা ও ঈদের সিদ্ধান্ত:

গতকাল শনিবার সৌদি আরবে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং রাতে চাঁদ দেখার খবর নিশ্চিত করা যায়। এরপরই বোয়ালমারীর এই গ্রামগুলোতে ঈদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যেসব গ্রামে ঈদ:

উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের সহস্রাইল, দড়ি সহস্রাইল, ভুলবাড়িয়া, বারাংকুলা, বড়গাঁ, মাইটকুমড়া, গঙ্গানন্দপুর, রাখালতলী, কাটাগড়, কলিমাঝি, বন্ডপাশা, জয়দেবপুর ও দিঘীরপাড় গ্রামের কয়েক হাজার 1 বাসিন্দা অন্যান্য অঞ্চলের একদিন আগে রোজা শুরু করেছিলেন। 

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, এই গ্রামগুলোর মানুষ বহু বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে একই দিনে রোজা পালন করে আসছেন। ফলে, স্বাভাবিকভাবেই তারা ঈদের উদযাপনও একদিন আগে করে থাকেন।

স্থানীয়দের বক্তব্য:

সহস্রাইল গ্রামের বাসিন্দা দিল্লুর রহমান জানান, তারা দীর্ঘকাল ধরে সৌদি আরবের নিয়ম মেনে রোজা রাখেন। এটা তাদের কাছে একটা ঐতিহ্যের মতো। তাদের পূর্বপুরুষরাও একই প্রথা অনুসরণ করে এসেছেন।

 ইমামের ভাষ্য:

বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল দায়রা ঘর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. সাইফুল্লাহ বলেন, শেখর এবং পার্শ্ববর্তী রুপাপাত ইউনিয়নের প্রায় ১৩টি গ্রামের কিছু মানুষ বহু দিন ধরে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। এটি তাদের সংস্কৃতির অংশ এবং সেই অনুযায়ী তারা আগামীকাল ঈদ উদযাপন করবেন।

মধ্যপ্রাচ্যের সাথে ফরিদপুরের ১৩টি গ্রামে একদিন আগেই ঈদ

আপডেট সময় : ১১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার প্রায় ১৩টি গ্রামের মানুষজন আগামীকাল রোববার (৩০ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালনের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে এই গ্রামগুলোতে।

 সৌদি আরবে চাঁদ দেখা ও ঈদের সিদ্ধান্ত:

গতকাল শনিবার সৌদি আরবে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং রাতে চাঁদ দেখার খবর নিশ্চিত করা যায়। এরপরই বোয়ালমারীর এই গ্রামগুলোতে ঈদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যেসব গ্রামে ঈদ:

উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের সহস্রাইল, দড়ি সহস্রাইল, ভুলবাড়িয়া, বারাংকুলা, বড়গাঁ, মাইটকুমড়া, গঙ্গানন্দপুর, রাখালতলী, কাটাগড়, কলিমাঝি, বন্ডপাশা, জয়দেবপুর ও দিঘীরপাড় গ্রামের কয়েক হাজার 1 বাসিন্দা অন্যান্য অঞ্চলের একদিন আগে রোজা শুরু করেছিলেন। 

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, এই গ্রামগুলোর মানুষ বহু বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে একই দিনে রোজা পালন করে আসছেন। ফলে, স্বাভাবিকভাবেই তারা ঈদের উদযাপনও একদিন আগে করে থাকেন।

স্থানীয়দের বক্তব্য:

সহস্রাইল গ্রামের বাসিন্দা দিল্লুর রহমান জানান, তারা দীর্ঘকাল ধরে সৌদি আরবের নিয়ম মেনে রোজা রাখেন। এটা তাদের কাছে একটা ঐতিহ্যের মতো। তাদের পূর্বপুরুষরাও একই প্রথা অনুসরণ করে এসেছেন।

 ইমামের ভাষ্য:

বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল দায়রা ঘর জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. সাইফুল্লাহ বলেন, শেখর এবং পার্শ্ববর্তী রুপাপাত ইউনিয়নের প্রায় ১৩টি গ্রামের কিছু মানুষ বহু দিন ধরে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। এটি তাদের সংস্কৃতির অংশ এবং সেই অনুযায়ী তারা আগামীকাল ঈদ উদযাপন করবেন।