ফরিদপুরে প্রেমিকের হাত ধরে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী, উধাও স্বর্ণালঙ্কার

- আপডেট সময় : ১২:০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
- / 955
ফরিদপুর সদর উপজেলার নিখুরদী গ্রামের প্রবাসী এরশাদ চোকদার ২০২০ সালের জানুয়ারিতে গঙ্গাবর্দী গ্রামের আঃ গফুর শেখের মেয়ে শিউলী আকতারকে শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ করেন। বিয়ের পর তাদের ঘরে এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়, যার নাম আখিয়া ইসলাম (৪)।
ওমানে ফেরার পর স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে
বিয়ের তিন মাস পর এরশাদ চোকদার পুনরায় কর্মস্থল ওমানে ফিরে যান। এর কিছুদিন পর শিউলী আকতার তার খালাতো ভাই মোঃ আব্দুল করিমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ২০ জানুয়ারি ২০২৫, সোমবার বিকাল ৩টার দিকে আব্দুল করিমের প্ররোচনায় তিনি স্বামীর গচ্ছিত নগদ এক লাখ টাকা এবং প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় নয় লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে কন্যাসহ পিতার বাড়ি গঙ্গাবর্দীতে চলে যান।
তালাক ছাড়াই অন্য পুরুষের সঙ্গে বসবাসের অভিযোগ
পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে এরশাদ চোকদার জানতে পারেন, তার স্ত্রী এখন মোঃ আব্দুল করিমের সঙ্গে সংসার করছেন, যদিও তাকে তালাক দেননি। বিষয়টি ইসলামী শরিয়তের সম্পূর্ণ পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আইনগত পদক্ষেপ ও চলমান তদন্ত
ঘটনার পর এরশাদ চোকদার ফরিদপুর গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) এবং সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে মামলা করেন। মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে আছেন মোঃ আব্দুল করিম (৩১), শিউলী আকতার (২১), লিপি আকতার (৪২) এবং আঃ গফুর শেখ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রোমান জানান, গঙ্গাবর্দীতে শিউলীর পিত্রালয় ও মহারাজপুরে অভিযুক্ত আব্দুল করিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়েও শিউলীকে উদ্ধার করা যায়নি। তদন্ত চলছে এবং শিউলী আকতারকে উদ্ধার করা গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্তদের বক্তব্য
অভিযুক্ত মোঃ আব্দুল করিম বলেন, “শিউলী আমার খালাতো বোন। সে একসময় আমার ঢাকার ধুলাইখালের বাসায় এসেছিল তার মেয়েকে নিয়ে। পরে আমি তাকে বুঝিয়ে গঙ্গাবর্দীতে তার পিতার বাড়িতে রেখে আসি। এখন সে কোথায় আছে, তা আমি জানি না।”
শিউলীর পিতা আঃ গফুর শেখ বলেন, “মেয়েটিকে অনেক শখ করে বিয়ে দিয়েছিলাম। এখন সে কোথায় গেছে, আমি জানি না। সে আমাকে লজ্জায় ফেলেছে। তবে তাকে পাওয়া গেলে বিষয়টি মীমাংসা করব।”




















