ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে মারামারির জেরে বরখাস্ত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / 366

দলীয় সভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের সালথা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. ফারুক ফকিরকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এটি একটি ষড়যন্ত্র।

সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক আলামিন হোসেন লিখন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

যে কারণে বরখাস্ত

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৩ আগস্ট সালথা উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আলোচনাসভায় যে অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল, তাতে ফারুক ফকিরের ‘সরাসরি ইন্ধনে পরিকল্পিতভাবে’ সভাটি পণ্ড করে দেওয়া হয়েছে।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

নেতার পাল্টা দাবি

অব্যাহতি পাওয়ার পর ফারুক ফকির গণমাধ্যমের কাছে বলেন, সভায় ঘটে যাওয়া মারামারির ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। বরং তিনি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, যাতে আরও বড় কোনো ঘটনা না ঘটে।

তিনি অভিযোগ করেন, এই অব্যাহতি তার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। তিনি আরও বলেন, তিনি এই বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে মোকাবেলা করবেন।

আসল ঘটনা কী ছিল?

প্রসঙ্গত, ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ফারুক ফকির এবং জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ মিয়ার নাম শোনা যাচ্ছে। গত শনিবারের আলোচনাসভার ব্যানারে শুধুমাত্র ফরহাদ মিয়ার নাম থাকায় ফারুক ফকিরের সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে কেন্দ্রীয় নেতা মাহফুজুর রহমান খানের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হলে সভাটি সংক্ষিপ্ত করে শেষ করা হয়।

ফরিদপুরে মারামারির জেরে বরখাস্ত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

দলীয় সভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের সালথা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. ফারুক ফকিরকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এটি একটি ষড়যন্ত্র।

সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক আলামিন হোসেন লিখন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

যে কারণে বরখাস্ত

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৩ আগস্ট সালথা উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আলোচনাসভায় যে অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল, তাতে ফারুক ফকিরের ‘সরাসরি ইন্ধনে পরিকল্পিতভাবে’ সভাটি পণ্ড করে দেওয়া হয়েছে।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

নেতার পাল্টা দাবি

অব্যাহতি পাওয়ার পর ফারুক ফকির গণমাধ্যমের কাছে বলেন, সভায় ঘটে যাওয়া মারামারির ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। বরং তিনি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, যাতে আরও বড় কোনো ঘটনা না ঘটে।

তিনি অভিযোগ করেন, এই অব্যাহতি তার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র। তিনি আরও বলেন, তিনি এই বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে মোকাবেলা করবেন।

আসল ঘটনা কী ছিল?

প্রসঙ্গত, ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ফারুক ফকির এবং জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ মিয়ার নাম শোনা যাচ্ছে। গত শনিবারের আলোচনাসভার ব্যানারে শুধুমাত্র ফরহাদ মিয়ার নাম থাকায় ফারুক ফকিরের সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে কেন্দ্রীয় নেতা মাহফুজুর রহমান খানের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হলে সভাটি সংক্ষিপ্ত করে শেষ করা হয়।