ফরিদপুরে নারী ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে হামলা, বৃদ্ধাসহ ২ পুত্রবধূ হাসপাতালে
- আপডেট সময় : ১০:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
- / 518
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ইউপি সদস্য মোসা. তানিয়া বেগম ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের একই পরিবারের তিন নারীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহতদের মধ্যে একজন ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা এবং তাঁর দুই পুত্রবধূ রয়েছেন। জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ৮টায় উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আহত ও অভিযুক্তদের পরিচয়
আহতরা: হামলায় আহতরা হলেন হেলেঞ্চা গ্রামের মৃত হামেদ মোল্যার স্ত্রী রোমেসা বেগম (৬৫), এবং তাঁর দুই পুত্রবধূ রাশিদা বেগম (৩৫) ও হাসিনা বেগম (৪০)। তাঁরা বর্তমানে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
অভিযুক্ত: অভিযুক্ত ইউপি সদস্য তানিয়া বেগম বুড়াইচ ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত (৭, ৮ ও ৯ নং) ওয়ার্ডের নারী সদস্য এবং হেলেঞ্চা গ্রামের মৃত সাইদ শেখের স্ত্রী।
হামলার বিবরণ ও কারণ
ভুক্তভোগী রাশিদা বেগম শুক্রবার বিকালে থানায় এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বিবাদের কারণ: অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রোমেসা বেগম ও ইউপি সদস্য তানিয়া বেগমের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আদালতে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে।
হামলার ধরন: এরই জের ধরে ঘটনার দিন সকালে তানিয়া বেগমের নেতৃত্বে তাঁর দুই ছেলে ইমরান শেখ, ইমদাদুল শেখসহ আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রোমেসা বেগমের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
ক্ষতি: হামলায় পুত্রবধূ রাশিদা বেগম ও হাসিনা বেগম গুরুতর আহত হন। তাদের ঠেকাতে গেলে বৃদ্ধা রোমেসা বেগমকেও মারধর করা হয়। স্বজনরা তাদের তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অভিযুক্তের পাল্টা দাবি ও পুলিশের পদক্ষেপ
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য তানিয়া বেগম মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
তানিয়া বেগমের দাবি: তিনি পাল্টা দাবি করেন, “আমরা কাউকে মারিনি। বরং তারাই (প্রতিপক্ষ) আমার ছেলে ও মেয়েকে মারধর করেছে।”
এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল আলম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”





















