ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে এনসিপি নেতার পদত্যাগ: কর্মীদের দিলেন ‘বিশেষ’ বার্তা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 642

ফরিদপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনীতিতে বড় চমক! জেলা কমিটির অন্যতম শীর্ষ নেতা ও যুগ্ম সদস্য সচিব হায়দার মোল্লা (৩১) দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।

রহস্যময় পদত্যাগপত্র ও বিশেষ অনুরোধ

হায়দার মোল্লার দেওয়া মাত্র দুই বাক্যের এই পদত্যাগপত্রটি রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পদত্যাগের ঘোষণার পাশাপাশি তিনি একটি বিশেষ অনুরোধও করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন:

“এনসিপির অঙ্গসংগঠনের সব নেতা-কর্মীদের আমার সঙ্গে যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।”

পদত্যাগের পর দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি এমন ‘যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন’ থাকার বার্তা নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

পদত্যাগের সত্যতা নিশ্চিত করে হায়দার মোল্লা জানান, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তিনি স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “আপাতত আমি রাজনীতিতে সক্রিয় থাকব না। ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হব কি না, সে বিষয়েও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।”

জেলা কমিটির বক্তব্য

জেলা এনসিপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এটি কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হবে। তিনি বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখে বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে যে কেউ তার রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের অধিকার রাখেন। এটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিরই অংশ।”

উল্লেখ্য, গত ৮ ডিসেম্বর হাসানাত আব্দুল্লাহ এবং আক্তার হোসেনের স্বাক্ষরে ফরিদপুর জেলার ১০১ সদস্যবিশিষ্ট এই আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কমিটির বয়স তিন মাস পার হওয়ার আগেই গুরুত্বপূর্ণ এই পদের নেতার প্রস্থান এনসিপির স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ফরিদপুরে এনসিপি নেতার পদত্যাগ: কর্মীদের দিলেন ‘বিশেষ’ বার্তা

আপডেট সময় : ১০:২৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনীতিতে বড় চমক! জেলা কমিটির অন্যতম শীর্ষ নেতা ও যুগ্ম সদস্য সচিব হায়দার মোল্লা (৩১) দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।

রহস্যময় পদত্যাগপত্র ও বিশেষ অনুরোধ

হায়দার মোল্লার দেওয়া মাত্র দুই বাক্যের এই পদত্যাগপত্রটি রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পদত্যাগের ঘোষণার পাশাপাশি তিনি একটি বিশেষ অনুরোধও করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন:

“এনসিপির অঙ্গসংগঠনের সব নেতা-কর্মীদের আমার সঙ্গে যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।”

পদত্যাগের পর দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি এমন ‘যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন’ থাকার বার্তা নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

পদত্যাগের সত্যতা নিশ্চিত করে হায়দার মোল্লা জানান, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তিনি স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “আপাতত আমি রাজনীতিতে সক্রিয় থাকব না। ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হব কি না, সে বিষয়েও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।”

জেলা কমিটির বক্তব্য

জেলা এনসিপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এটি কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হবে। তিনি বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখে বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে যে কেউ তার রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের অধিকার রাখেন। এটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিরই অংশ।”

উল্লেখ্য, গত ৮ ডিসেম্বর হাসানাত আব্দুল্লাহ এবং আক্তার হোসেনের স্বাক্ষরে ফরিদপুর জেলার ১০১ সদস্যবিশিষ্ট এই আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কমিটির বয়স তিন মাস পার হওয়ার আগেই গুরুত্বপূর্ণ এই পদের নেতার প্রস্থান এনসিপির স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।