ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই মাস কারাভোগের পর মুক্তি পেলেন জনপ্রিয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা পাইলট

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / 236

নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ দুই মাস কারাভোগের পর ৫ মামলায় জামিনে মুক্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক ১নং সহ-সভাপতি মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলট । বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। মুক্তির পর কারাগারের গেট থেকে শুরু করে পার্টি অফিস ও বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দগন পাইলটকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।

তার বাড়ি হচ্ছে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চত্রংপুর গ্রামে। ওই গ্রামের মুহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন মন্ডল ও মৃত হাসনা হেনা দম্পতির একমাত্র পুত্র সন্তান এজমল হোসেন পাইলট।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ই ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে একজন বিএনপি সমর্থক নিহত এবং পুলিশসহ অর্ধশত ব্যক্তি আহত হন। সংঘর্ষের পর রাতের বেলা পুলিশ বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালায়। পরদিন পল্টন, মতিঝিল, রমনা ও শাহজাহানপুর থানায় পৃথক চারটি মামলা করে পুলিশ। এতে ২ হাজার ৯৭৫ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে নাম উল্লেখ করা হয়েছে ৭২৫ জনের।

৭ই ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলটসহ সিনিয়র বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ সংগঠনের প্রায় তিনশতাধিক নেতাকর্মীদের আটক করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার ডিবি কার্যালয়ে। পরদিন মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলটকে পল্টন থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই থেকে কারাগারেই ছিলেন। গত বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) রাতে জামিনে মুক্তি পেলেন।

ট্যাগস :

দুই মাস কারাভোগের পর মুক্তি পেলেন জনপ্রিয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা পাইলট

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দীর্ঘ দুই মাস কারাভোগের পর ৫ মামলায় জামিনে মুক্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক ১নং সহ-সভাপতি মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলট । বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। মুক্তির পর কারাগারের গেট থেকে শুরু করে পার্টি অফিস ও বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দগন পাইলটকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।

তার বাড়ি হচ্ছে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চত্রংপুর গ্রামে। ওই গ্রামের মুহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন মন্ডল ও মৃত হাসনা হেনা দম্পতির একমাত্র পুত্র সন্তান এজমল হোসেন পাইলট।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ই ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে একজন বিএনপি সমর্থক নিহত এবং পুলিশসহ অর্ধশত ব্যক্তি আহত হন। সংঘর্ষের পর রাতের বেলা পুলিশ বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালায়। পরদিন পল্টন, মতিঝিল, রমনা ও শাহজাহানপুর থানায় পৃথক চারটি মামলা করে পুলিশ। এতে ২ হাজার ৯৭৫ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে নাম উল্লেখ করা হয়েছে ৭২৫ জনের।

৭ই ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলটসহ সিনিয়র বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ সংগঠনের প্রায় তিনশতাধিক নেতাকর্মীদের আটক করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার ডিবি কার্যালয়ে। পরদিন মুহাম্মদ এজমল হোসেন পাইলটকে পল্টন থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই থেকে কারাগারেই ছিলেন। গত বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) রাতে জামিনে মুক্তি পেলেন।