ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে বাবাকে না পেয়ে ছেলেকে কুপিয়ে জখম

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 578

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় এক বাদীর কিশোর ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে আসামিপক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পূর্ববিরোধ ও মামলার জের

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যাধর গ্রামের বোরহান মিয়ার লোকজনের সঙ্গে ভ্যানচালক জহিরুল মোল্যার বিরোধ চলছিল। গত ২৮ আগস্ট এই বিরোধের জের ধরে জহিরুলের ওপর হামলা চালানো হয়, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ওই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি মামলা করেন। সম্প্রতি এই মামলার ২৫ আসামি আদালত থেকে জামিন পান। এরপর থেকেই তারা জহিরুলকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকেন।

বাবাকে না পেয়ে ছেলের ওপর হামলা

জহিরুল মোল্যা মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার রাতে বোরহান মিয়ার নেতৃত্বে আসামিপক্ষের লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালায়। জহিরুলকে বাড়িতে না পেয়ে তারা তার ১৫ বছর বয়সী ছেলে এলাহী মোল্যাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ডান হাতের বাহু ও কব্জিতে কোপায় এবং লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে পাশের কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত কিশোরের বাবার আকুতি ও পুলিশের বক্তব্য

শারীরিক প্রতিবন্ধী জহিরুল মোল্যা বলেন, “আমি একজন নিরীহ মানুষ। সামাজিকভাবে ভিন্ন দলের হওয়ায় আমার ওপর হামলা করা হয়। এখন মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় আমার ছেলেকে নির্মমভাবে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। আমি এবং আমার পরিবার এখন প্রাণের ভয়ে দিন কাটাচ্ছি।”

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বোরহান মিয়ার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল আলম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে বাবাকে না পেয়ে ছেলেকে কুপিয়ে জখম

আপডেট সময় : ০৭:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় এক বাদীর কিশোর ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে আসামিপক্ষের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে সদর ইউনিয়নের বিদ্যাধর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পূর্ববিরোধ ও মামলার জের

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যাধর গ্রামের বোরহান মিয়ার লোকজনের সঙ্গে ভ্যানচালক জহিরুল মোল্যার বিরোধ চলছিল। গত ২৮ আগস্ট এই বিরোধের জের ধরে জহিরুলের ওপর হামলা চালানো হয়, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ওই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি মামলা করেন। সম্প্রতি এই মামলার ২৫ আসামি আদালত থেকে জামিন পান। এরপর থেকেই তারা জহিরুলকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকেন।

বাবাকে না পেয়ে ছেলের ওপর হামলা

জহিরুল মোল্যা মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার রাতে বোরহান মিয়ার নেতৃত্বে আসামিপক্ষের লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালায়। জহিরুলকে বাড়িতে না পেয়ে তারা তার ১৫ বছর বয়সী ছেলে এলাহী মোল্যাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ডান হাতের বাহু ও কব্জিতে কোপায় এবং লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে পাশের কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত কিশোরের বাবার আকুতি ও পুলিশের বক্তব্য

শারীরিক প্রতিবন্ধী জহিরুল মোল্যা বলেন, “আমি একজন নিরীহ মানুষ। সামাজিকভাবে ভিন্ন দলের হওয়ায় আমার ওপর হামলা করা হয়। এখন মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় আমার ছেলেকে নির্মমভাবে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। আমি এবং আমার পরিবার এখন প্রাণের ভয়ে দিন কাটাচ্ছি।”

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বোরহান মিয়ার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল আলম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”