ঢাকা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় ফরিদপুরের জামায়াত নেতা ইলিয়াস

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 654

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যার হলফনামায় সম্পদের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নথিপত্র অনুযায়ী, এই প্রার্থীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা।

বার্ষিক আয় ও আয়ের উৎস:

ড. ইলিয়াস মোল্যা শিক্ষকতা ও ভাতা বাবদ বছরে ৬ লাখ ৩১ হাজার ৩৬১ টাকা আয় করেন। আয়ের অন্যান্য উৎসের মধ্যে সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতের লভ্যাংশ থেকে বার্ষিক ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭১৫ টাকা এবং বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে ৩ লাখ ৬ হাজার টাকা আয় হয়। এছাড়া তার ওপর নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

ব্যাংক জমা ও নগদ অর্থ:

প্রার্থীর নগদ অর্থ ও ব্যাংক জমার পরিমাণ বেশ লক্ষণীয়। হলফনামার তথ্যমতে, তার নিজের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে (প্রধানত ইসলামী ব্যাংক ও এনআরবিসি ব্যাংক) ৮০ লাখ টাকার বেশি জমা রয়েছে। পাশাপাশি তার নামে ৫৪ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) রয়েছে। তার স্ত্রীর নামেও প্রায় ২৯ লাখ টাকার ব্যাংক আমানত ও সাড়ে ৫ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে।

স্থাবর সম্পদ ও সোনা:

ড. ইলিয়াসের স্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজার মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সাভারের জাহাঙ্গীরনগর কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি এবং ফরিদপুরের নিজ এলাকায় অকৃষি জমি ও ভবন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া প্রার্থীর নিজের ২৫ ভরি এবং তার স্ত্রীর ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। ব্যক্তিগত চলাচলের জন্য তার ২৪ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়িও রয়েছে।

ক্লিন ইমেজ:

হলফনামার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এই জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো মামলা নেই। এমনকি অতীতেও তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা ছিল না বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

ফরিদপুর-১ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে ড. ইলিয়াস মোল্যার এই ক্লিন ইমেজ এবং বিশাল সম্পদ নির্বাচনী মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কোটিপতি প্রার্থীর তালিকায় ফরিদপুরের জামায়াত নেতা ইলিয়াস

আপডেট সময় : ১১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যার হলফনামায় সম্পদের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নথিপত্র অনুযায়ী, এই প্রার্থীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা।

বার্ষিক আয় ও আয়ের উৎস:

ড. ইলিয়াস মোল্যা শিক্ষকতা ও ভাতা বাবদ বছরে ৬ লাখ ৩১ হাজার ৩৬১ টাকা আয় করেন। আয়ের অন্যান্য উৎসের মধ্যে সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতের লভ্যাংশ থেকে বার্ষিক ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭১৫ টাকা এবং বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে ৩ লাখ ৬ হাজার টাকা আয় হয়। এছাড়া তার ওপর নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

ব্যাংক জমা ও নগদ অর্থ:

প্রার্থীর নগদ অর্থ ও ব্যাংক জমার পরিমাণ বেশ লক্ষণীয়। হলফনামার তথ্যমতে, তার নিজের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে (প্রধানত ইসলামী ব্যাংক ও এনআরবিসি ব্যাংক) ৮০ লাখ টাকার বেশি জমা রয়েছে। পাশাপাশি তার নামে ৫৪ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) রয়েছে। তার স্ত্রীর নামেও প্রায় ২৯ লাখ টাকার ব্যাংক আমানত ও সাড়ে ৫ লাখ টাকার শেয়ার রয়েছে।

স্থাবর সম্পদ ও সোনা:

ড. ইলিয়াসের স্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজার মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সাভারের জাহাঙ্গীরনগর কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি এবং ফরিদপুরের নিজ এলাকায় অকৃষি জমি ও ভবন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া প্রার্থীর নিজের ২৫ ভরি এবং তার স্ত্রীর ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। ব্যক্তিগত চলাচলের জন্য তার ২৪ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়িও রয়েছে।

ক্লিন ইমেজ:

হলফনামার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এই জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো মামলা নেই। এমনকি অতীতেও তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা ছিল না বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

ফরিদপুর-১ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে ড. ইলিয়াস মোল্যার এই ক্লিন ইমেজ এবং বিশাল সম্পদ নির্বাচনী মাঠে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।