ফরিদপুরে ৬ লাখ টাকার গাঁজাসহ গ্রেফতার ৪

- আপডেট সময় : ০৫:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
- / 36
ফরিদপুরে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-১০) দুটি পৃথক মাদকবিরোধী সফল অভিযানে আনুমানিক প্রায় ৬ লাখ টাকা মূল্যের ২০ কেজি গাঁজাসহ চারজন সক্রিয় মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বুধবার (১০ জুন) গ্রেফতারকৃতদের ফরিদপুর সংশ্লিষ্ট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান।
র্যাব জানায়, ধৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে সুকৌশলে মাদক এনে ফরিদপুর, মাগুরাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে পাইকারি ও খুচরা সরবরাহ করে আসছিল।
মধুখালীতে গভীর রাতে প্রথম অ্যাকশন:
র্যাব-১০-এর ফরিদপুর ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) গভীর রাতে মধুখালী উপজেলার বেল্লাকান্দি এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ওই এলাকা থেকে ৯ কেজি গাঁজাসহ মনির হোসেন ওরফে রুবেল (২৬) ও আমির হোসেন (২৪) নামের দুই মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
বদরপুরে বাসে তল্লাশি, সাড়ে ১০ কেজি গাঁজা জব্দ:
এর আগে গত সোমবার (৮ জুন) গভীর রাতে ফরিদপুর সদর উপজেলার বদরপুর এলাকায় ফরিদপুর-মাগুরা মহাসড়কে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায় র্যাব। এ সময় সন্দেহভাজন বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানোর একপর্যায়ে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে আরও সাড়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে বাসের যাত্রী মোস্তফা কামাল (২৭) ও রাশেদুল ইসলাম (২৬) নামের দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালা উপজেলার উত্তর মিলনপুর এলাকায়।
সীমান্ত থেকে আসছে মাদকের চালান:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত চারজনই স্বীকার করেছে যে, তারা একটি বড় ও সংঘবদ্ধ মাদক সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। দূরপাল্লার বাস ও বিভিন্ন মহাসড়ক ব্যবহার করে তারা সীমান্ত এলাকা থেকে মাদকের চালান ঢাকার প্রবেশদ্বার ও দক্ষিণবঙ্গে পাচার করছিল।
র্যাব-১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার বলেন, “মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। সমাজকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করতে এবং অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমাদের এই কঠোর চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”




















