ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রদল নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়: মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 394

সিলেটের গোয়াইনঘাটে মাদক মামলায় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আব্দুল মালিক লিটনকে আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড প্রদানের ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়েছে সিলেট বিএনপি। তাদের অভিযোগ, এটি আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিহিংসার শিকার এবং সাজানো মিথ্যা মামলা। অবিলম্বে এই রায় স্থগিত করে লিটনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে দল, অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ জুলাই, ২০২৫) বিকেলে জাফলংয়ের মামার বাজার পয়েন্টে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রদল নেতা লিটনের মুক্তির দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মামার বাজার পয়েন্টে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।

বিএনপির অভিযোগ ও বক্তাদের দাবি

যুব নেতা গফুর আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং পূর্ব জাফলং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সুজনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে রাজনৈতিকভাবে সাজানো মামলায় লিটনের বিরুদ্ধে আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে। তারা অবিলম্বে আদালতের এই রায় স্থগিত করে তাকে মুক্তির দাবি জানান। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার লিটনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ স্থগিত করে মুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও আইন বিচার বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান হেলোয়ার, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ, যুব নেতা আব্দুর রহিম, পূর্ব জাফলং ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক উসমান আলী প্রমুখ। এই বিক্ষোভ মিছিলে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মামলার পেছনের কথা

প্রসঙ্গত, আব্দুল মালিক লিটন সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের লাখেরপাড় গ্রামের আব্দুস শহিদ মিয়ার পুত্র। ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ১ কেজি মাদক (হেরোইন) সহ পুলিশ তাকে এবং আরও দু’জন আসামীকে গ্রেফতার করে। ২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আদালত এই মামলায় একমাত্র আসামী আব্দুল মালিক লিটনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন, যেখানে তার সাথে গ্রেফতার হওয়া অন্য দু’জন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। বিএনপির দাবি, লিটনের বিরুদ্ধে এই মামলা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

ছাত্রদল নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়: মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

সিলেটের গোয়াইনঘাটে মাদক মামলায় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আব্দুল মালিক লিটনকে আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড প্রদানের ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়েছে সিলেট বিএনপি। তাদের অভিযোগ, এটি আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিহিংসার শিকার এবং সাজানো মিথ্যা মামলা। অবিলম্বে এই রায় স্থগিত করে লিটনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে দল, অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ জুলাই, ২০২৫) বিকেলে জাফলংয়ের মামার বাজার পয়েন্টে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রদল নেতা লিটনের মুক্তির দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মামার বাজার পয়েন্টে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।

বিএনপির অভিযোগ ও বক্তাদের দাবি

যুব নেতা গফুর আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং পূর্ব জাফলং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সুজনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে রাজনৈতিকভাবে সাজানো মামলায় লিটনের বিরুদ্ধে আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে। তারা অবিলম্বে আদালতের এই রায় স্থগিত করে তাকে মুক্তির দাবি জানান। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার লিটনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ স্থগিত করে মুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও আইন বিচার বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান হেলোয়ার, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ, যুব নেতা আব্দুর রহিম, পূর্ব জাফলং ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক উসমান আলী প্রমুখ। এই বিক্ষোভ মিছিলে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মামলার পেছনের কথা

প্রসঙ্গত, আব্দুল মালিক লিটন সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের লাখেরপাড় গ্রামের আব্দুস শহিদ মিয়ার পুত্র। ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ১ কেজি মাদক (হেরোইন) সহ পুলিশ তাকে এবং আরও দু’জন আসামীকে গ্রেফতার করে। ২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আদালত এই মামলায় একমাত্র আসামী আব্দুল মালিক লিটনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন, যেখানে তার সাথে গ্রেফতার হওয়া অন্য দু’জন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। বিএনপির দাবি, লিটনের বিরুদ্ধে এই মামলা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।