ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশ একাডেমি থেকে পালালেন ডিআইজি এহসানুল্লাহ

দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৫০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 516

ক্রসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগে অভিযানের মুখে বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে ডিআইজি এহসানুল্লাহ রহস্যজনকভাবে পালিয়ে গেছেন। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে তিনি তাঁর কর্মস্থল থেকে নিখোঁজ হন।

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি রাজশাহী জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পুলিশ একাডেমি কর্তৃপক্ষ তাঁর অনুপস্থিতি ও অভিযান সম্পর্কে সত্যতা স্বীকার করেছে।

অভিযোগ ও পলাতক কর্মকর্তার পরিচয়

অভিযোগ: ডিআইজি এহসানুল্লাহর বিরুদ্ধে ক্রসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

কর্মস্থল: তিনি একসময় বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

নিখোঁজের ঘটনা ও কর্তৃপক্ষের স্বীকারোক্তি

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডিআইজি এহসানুল্লাহকে আটক করতে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশের একটি দল পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালায়। অভিযানের খবর পেয়েই তিনি তাঁর কর্মস্থল থেকে রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যান।

পুলিশ সুপারের বক্তব্য: এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “ডিআইজি এহসানুল্লাহ গত বুধবার থেকে একাডেমিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা থেকে একটি টিম তাকে আটক করতে এসেছিলেন বলে জানতে পেরেছি। তার নিখোঁজ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”

পালানোর কৌশল: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, ডিআইজি এহসানুল্লাহ গ্রেফতারের খবর জানতে পেরেই মোটরসাইকেলে করে একাডেমি থেকে পালিয়েছেন। তিনি সম্ভবত আগেই জানতেন যে তাঁকে গ্রেফতার করতে যেকোনো সময় পুলিশ আসতে পারে।

গুরুতর অভিযোগের মুখে পুলিশের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তার এভাবে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে।

পুলিশ একাডেমি থেকে পালালেন ডিআইজি এহসানুল্লাহ

আপডেট সময় : ০২:৫০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

ক্রসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগে অভিযানের মুখে বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে ডিআইজি এহসানুল্লাহ রহস্যজনকভাবে পালিয়ে গেছেন। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে তিনি তাঁর কর্মস্থল থেকে নিখোঁজ হন।

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি রাজশাহী জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পুলিশ একাডেমি কর্তৃপক্ষ তাঁর অনুপস্থিতি ও অভিযান সম্পর্কে সত্যতা স্বীকার করেছে।

অভিযোগ ও পলাতক কর্মকর্তার পরিচয়

অভিযোগ: ডিআইজি এহসানুল্লাহর বিরুদ্ধে ক্রসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

কর্মস্থল: তিনি একসময় বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

নিখোঁজের ঘটনা ও কর্তৃপক্ষের স্বীকারোক্তি

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডিআইজি এহসানুল্লাহকে আটক করতে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশের একটি দল পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালায়। অভিযানের খবর পেয়েই তিনি তাঁর কর্মস্থল থেকে রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যান।

পুলিশ সুপারের বক্তব্য: এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “ডিআইজি এহসানুল্লাহ গত বুধবার থেকে একাডেমিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা থেকে একটি টিম তাকে আটক করতে এসেছিলেন বলে জানতে পেরেছি। তার নিখোঁজ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”

পালানোর কৌশল: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, ডিআইজি এহসানুল্লাহ গ্রেফতারের খবর জানতে পেরেই মোটরসাইকেলে করে একাডেমি থেকে পালিয়েছেন। তিনি সম্ভবত আগেই জানতেন যে তাঁকে গ্রেফতার করতে যেকোনো সময় পুলিশ আসতে পারে।

গুরুতর অভিযোগের মুখে পুলিশের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তার এভাবে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে।